ওঙ্কার ডেস্ক: তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে ছাদ ধসে পড়ার ঘটনায় এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। এই গজটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত বহু। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও জোরকদমে চলছে উদ্ধার কাজ। সেই আবহেই এবার এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে দুর্নীতি ও নির্মাণে গাফিলতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগের তীর বিগত সরকারের দিকেই। এই বিপর্যয়ের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
নির্মীয়মান অবস্থায় এত বড় কাঠামো ভেঙে পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মনে করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান, “এত বড় নির্মাণকাজ চলাকালীনই যদি ধসে পড়ে, তা হলে নির্মাণ শেষ হওয়ার পর সেখানে মানুষ কাজ শুরু করলে বা ব্যবহার করলে কত বড় বিপর্যয় ঘটতে পারত, তা ভেবেই শিউরে উঠতে হয়।”
ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে গুদামের সুপারভাইজার সৈয়দ মহম্মদ গুলজার, শ্রমিক সরবরাহকারী মহম্মদ আতাউল এবং সুভাষ চৌধুরীকে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের রিপোর্টে নির্মাণ পরিকল্পনায় গুরুতর ত্রুটির ইঙ্গিত মিলেছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুরে ব্রেসব্রিজের কাছে নির্মীয়মাণ গুদামের লোহার কাঠামো আচমকা ভেঙে পড়ে। সেই সময় সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এখনও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের খোঁজ চলছে।