ওঙ্কার ডেস্ক: নির্বাচনের আবহে তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০০ নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল জোড়াফুল শিবির। বুধবার আদালতে সেই মামলার শুনানি সম্পন্ন হল। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। তবে সওয়াল জবাব শেষ হলেও মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি।
বুধবার আদালতে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের আশঙ্কাকে সমর্থন করেছে রাজ্য সরকার। আদালতে দাবি করা হয়, রাজ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যার ফলে ‘প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন’ বা সতর্কতামূলক ভাবে কাউকে আটক করে রাখতে হবে। রাজ্যের আইনজীবী কিশোর দত্ত এদিন আদালতে বলেন, প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন তখনই হয়, যখন ভারতের অখণ্ডতা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে। এখানে এই ধরনের পরিস্থিতি নেই। কাউকে সতর্কতামূলক আটক করতে হলে জানাতে হবে, তিনি কী অপরাধ করেছেন। আইন ভাঙলে হেফাজতে নেবে আপত্তি নেই।
তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার আদালতে প্রশ্ন তোলেন, একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কেন ‘ট্রাবল মেকার’ বলে দেগে দেওয়া হচ্ছে? তিনি বলেন, ‘কিসের ভিত্তিতে ট্রাবল মেকার বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। কলঙ্কজনক বিষয়। তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আসছে, সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, কমিশনের অধিকার নেই কাউকে গ্রেফতার করার, পুলিশের এই ক্ষমতা রয়েছে। একজন ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন। কমিশন কি ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব নিতে পারে?