ওঙ্কার ডেস্ক: বিষমদ কাণ্ডের ছায়া এবার মহারাষ্ট্রে। নেশার বিষ পানীয় খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ১৫ জন। বিষ মদ খেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও বহু মানুষ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে আট জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, মহারাষ্ট্রের পিম্পরী-চিঞ্চওয়াড় জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। ওই জেলার দাপোড়ী এবং ফুগেবাড়ী এলাকায় বিষমদ খেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আট জন। পুণের কালে পড়ল এলাকায় মারা গিয়েছেন তিন জন, ইদপসর এলাকায় প্রাণ হারিয়েছেন দু’জন এবং হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে আরও দু’জনের। আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই বিষমদ সরবরাহের পিছনে রয়েছেন যোগেশ ওয়াংখেড়ে নামে এক ব্যবসায়ী। ইতিমধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস জানিয়েছেন, এই ঘটনায় জড়িতদের রেয়াত করা হবে না। এখনও পর্যন্ত আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।
পুলিশের এক আধিকারিক জানান, যোগেশ ওয়াংখেড়ে ওই বিষমদ তৈরি করেছিলেন। সেই মদ জেলার বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করেন তিনি। দোপাড়ী, ফুগেবাড়ী, ইডপসর এবং কালে পড়ল এলাকার মানুষজন নেশার জন্য সেই বিষমদ খেয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। যার ফলে একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। মুখ থেকে গ্যাঁজলা বের হওয়ার পাশাপাশি বমিও শুরু হয়। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় ১৫ জনের।