স্পোর্টস রিপোর্টার : এগিয়ে থেকেও ড্র। জামশেদপুর থেকে নিশ্চিত ৩ পয়েন্ট হারালো মোহনবাগান। এদিন ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে গোল হজম করে মোহনবাগান। ফলে ১-১ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়লো সবুজ মেরুন ব্রিগেড। মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলদাতা লিস্টন কোলাসো।
এদিনম্যাচের ১০ মিনিটে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে জামশেদপুর। মাঝমাঠে বল পান স্টোজানোভিচ। অলদ্রেদ চ্যালেঞ্জ করে বল ক্লিয়ার করলেও চোট পান। যে কারণে ম্যাচ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। কারণ মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় আলদ্রেদকে। তাঁকে ভালো করে পরীক্ষা করে দেখা হয়, তিনি খেলতে পারবেন কিনা। ১৫ মিনিটেই গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান। শুভাশিস বসু বক্সের বাইরে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা লিস্টনকে বাড়ান। আর লিস্টন ফাঁকা জায়গা পেয়ে ডান পায়ে শট নেন। বলটি ডিফেন্সের উপর দিয়ে উঠে যায় এবং ক্রসবারের নিচে লেগে ঠিক ভাবে জালে জড়ায়। দুরন্ত গোল লিস্টন কোলাসোর। কিছুই করার ছিল না জামশেদপুর কিপারের। তবে এরপরই মোহনবাগান গোল হজম করতেই পারতো।

২১ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে ভালো একটা সুযোগ তৈরি করেছিল জামশেদপুর। বাঁ-দিক থেকে সানানকে বল দেওয়া হয়। তিনি একবারেই বাঁ পায়ে ক্রস বাড়ান। মেসি বাউলি সামনে অপেক্ষায় ছিলেন, তবে বিশাল কাইথ তৎপর হয়ে লাফিয়ে বলটি সহজেই ধরে ফেলেন। ৩৫ মিনিটে নিশ্চিত গোল মিস করে মোহনবাগান। বক্সের বাঁ-দিকে রবসনকে খুঁজে তাঁকে লক্ষ্য করে বাঁ-পায়ে জোরালো শট নেন, বল গোলের সামনে দিয়ে চলে যায়। ম্যাকলারেন স্লাইড করে পৌঁছলেও ঠিক মতো পায়ে লাগেনি বল। অল্পের জন্য বাঁ-দিকের পোস্টের বাইরে চলে যায়। তবে ম্যাকলারেন বলটি পায়ে লাগালে নিশ্চিত গোল ছিল। প্রথমার্ধ ১-০ ব্যবধানেই শেষ হয়।৫১ মিনিটে মেসি বাউলিকে আটকাতে গিয়ে তাঁকে ফাউল করে বসেন আপুইয়া। যে কারণে তাঁকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। ৭৫মিনিটে গোলের সুযোগ নষ্ট করে জামশেদপুর এফসি। গ্যাব্রিয়েল বক্সের ডানদিকে বল পেয়ে মেসি বাউলি কে পাস দিতে চান, কিন্তু পাস খারাপ হওয়ায় ডিফেন্ডাররা সহজেই বল ক্লিয়ার করে দেয়। ৮১ মিনিটেও গোল মিস করে জামশেদপুর। তবে ইনজুরি টাইমে ডিফেন্স ভুলে গোল হজম করে টিম বাগান।গোল দাতা বাংলার ঋত্বিক দাস এরপর মোহনবাগানের পরের ম্যাচ আগামী ১২ এপ্রিল যুবভারতীতে পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে।