নিজস্ব সংবাদদাতা : শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আপত্তি জানায়নি কলকাতা হাইকোর্ট। এরপরই নবান্ন অভিযান প্রসঙ্গে কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয় আদালতের নির্দেশ না মানলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। তবে বাস্তবে আদালতের নির্দেশ ও পুলিশের হুঁশিয়ারি কোনোটাই তোয়াক্কা করেনি আন্দোলনকারীরা, এমনটাই মনে মকরা হচ্ছে। শনিবার সারাদিন বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনকারীদের অতি উগ্র আচরণ করতে দেখা গেছে। শনিবার দিনভর কলকাতার বিশেষ করে ধর্মতলা ও পার্ক স্ট্রিটে দফায় দফায় গোলমাল দেখা যায়। পরিস্থিতি সামলাতে পার্ক স্ট্রিট মোড়ে পুলিশ লাঠি চালালে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনে সামিল কয়েকজন বিজেপি নেতার মুখে পুলিশের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত কথাবার্তাও শোনা যায়। বিজেপির অশোক দিন্দাকে প্রকাশ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক কথা বলতে দেখা যায়, যা পরে বহু চ্যানেলে শোনা গিয়েছে।
এইসব কারণে পুলিশ সাতটি এফআইআর দায়ের করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। রবিবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা এই গ্রেফতারের কথা জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে কারা হাইকোর্টের অর্ডার অমান্য করেছে”।
নবান্ন অভিযানে পুলিশের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ, নির্যাতিতার মায়ের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ। এই প্রসঙ্গে মনোজ ভার্মা বলেন, “যে ঘটনা ঘটেছে তা একদম অভিপ্রেত নয়। নির্যাতিতার মা যে অভিযোগ করেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে”। যদিও এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে বা যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন সিপি। সাংবাদিকদের প্রশ্নে শুভেন্দু অধিকারীরও প্রসঙ্গ ওঠে। এ বিষয়ে স্পষ্টতই এড়িয়ে গিয়ে পুলিশ কমিশনার জানান, ‘সমস্তটাই তদন্তের আওতায় এবং এই বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনরকম কথা বলা উচিত নয়।
