ওঙ্কার ডেস্ক : নয়াদিল্লির জাতীয় প্রাণিবিদ্যা উদ্যান (এনজেডপি) ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস উদযাপন শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে ৩০ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত এনজেডপি একটি বিশেষ সপ্তাহব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়েছে। উদ্দেশ্য, স্কুল শিক্ষার্থীদের বাঘ সংরক্ষণ সম্পর্কে সংবেদনশীল করা। এই উদ্যোগে বিভিন্ন ধরণের আকর্ষণীয় এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে, চিড়িয়াখানায় ২৫০ জনেরও বেশি উৎসাহী শিক্ষার্থী নিয়ে একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যেখানে বাঘ সংরক্ষণের বিষয়ে ছাত্রছাত্রীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে।
এই কর্মসূচিতে বিশেষ আকর্ষণ ছিল জাতীয় প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর (এনএমএনএইচ)-এর ডঃ মগেশের সঙ্গে একটি বিশেষ আলাপচারিতা। যেখানে তিনি বাঘ সংরক্ষণ সম্পর্কিত পরিবেশগত বিষয়গুলি নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি এই বছরের বাঘ দিবসের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান “এক পেড় মা কে নাম”-এর সঙ্গে এক করার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তাঁর এই বক্তব্য শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর ব্যাপারে উৎসাহিত করবে।
এনজেডপি-র শিক্ষা দল একটি ইন্টারেক্টিভ অধিবেশন পরিচালনা করে যার মধ্যে ছিল একটি সংক্ষিপ্ত কুইজ এবং বাঘ সংরক্ষণের উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন। একটি বাঘের মুখোশ তৈরির কার্যক্রমও আয়োজন করা হয়েছিল, যা দিনটিকে একটি সৃজনশীল মাত্রা যোগ করে এবং বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা বাঘের ঘের পরিদর্শন করে, যেখানে তাদের কৌতূহল এবং উৎসাহ স্পষ্ট ভাবে ধরা পড়ে। কারণ বাঘ এবং ভারতের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে তারা বহু প্রশ্নের জবাব পায়। জাতীয় প্রাণিবিদ্যা উদ্যানের পরিচালকের সঙ্গে একটি ইন্টারেক্টিভ অধিবেশনের মাধ্যমে এই পরিদর্শন শেষ হয়। পরিচালক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন এবং বন্যপ্রাণী সম্পর্কে শিক্ষা চালিয়ে যেতে এবং সরকারের সংরক্ষণ প্রচেষ্টা, বিশেষ করে বাঘ সংরক্ষণ সম্পর্কিত প্রচেষ্টাগুলিকে সমর্থন করতে উৎসাহিত করেন।
সংরক্ষণ বার্তাকে আরও জোরদার করার জন্য, প্রতিটি অংশগ্রহণকারী স্কুলকে এনজেডপি-র পরিচালক এবং জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের (NTCA) নাগপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী মহাপরিদর্শক দশটি করে চারা উপহার দেন, যা বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার প্রতি তাদের অঙ্গীকারের প্রতীক।
