ওঙ্কার ডেস্কঃ শিক্ষাব্যবস্থার দুর্নীতি, প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষায় ব্যাপক খরচ এবং সার্বিকভাবে পড়ুয়াদের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব নিয়ে আন্দোলন করে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি। নিটের প্রশ্নফাঁসে এখনও পর্যন্ত ১১ জন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। এবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দিপকে। তাঁর বক্তব্য, “গোটা দেশ শিক্ষাব্যবস্থায় দায়বদ্ধতা চাইছে। আর সেই দায়বদ্ধতা তৈরির কাজটা শুরু হতে পারে একমাত্র শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বহিষ্কার করা হলেই।”
নিটে প্রশ্নফাঁসের পর থেকেই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব ককরোচ পার্টি। দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এমনকী দেশের একাধিক জায়গায়ও বিক্ষোভ প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন অভিজিৎ। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা দেননি। এমনকী প্রধানমন্ত্রীও তাঁকে বরখাস্ত করার কথা ভাবেননি।
অভিজিৎ চিঠিতে লিখেছেন, ‘আজ খুব দুঃখের সঙ্গে আপনাকে চিঠি লিখতে হচ্ছে। আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এবার ভাবার সময় এসেছে।’ অভিজিতের দাবি, প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির দায়ে গত কয়েকদিনে ১১ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন। এর মধ্যে শেষে ৪৮ ঘণ্টাতেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও নিটের পরীক্ষা দেওয়ার মানসিক চাপে আরও চিন্তিত পড়ুয়ারা। অভিজিতের দাবি, ‘নিজেদের ছেলেমেয়েকে লেখাপড়া শেখানোর জন্য নিজেদের সর্বস্ব খরচ করেছেন বাবা-মায়েরা। অথচ সেই পড়ুয়াই প্রাণ হারাচ্ছে অব্যবস্থার জন্য। ওই পরিবারগুলিকে অন্তত এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত সরকারের।”