ওঙ্কার ডেস্ক: ভুবনেশ্বর এইমস হাসপাতালের এক মহিলা চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল ঘর থেকে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ২৬ বছর বয়সী ওই চিকিৎসক আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কী কারণে তিনি চরম পদক্ষেপ নিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত চিকিৎসকের নাম দিব্যা ভি। তিনি আদতে কর্নাটকের বাসিন্দা। ওড়িশার খণ্ডগিরি থানার অন্তর্গত ডুমুদুমা এলাকায় ওই চিকিৎসক ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। মঙ্গলবার সেই ফ্ল্যাট থেকে দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে দিব্যা ভুবনেশ্বরের এইমস-এর ফার্মাকোলজি বিভাগে সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। খণ্ডগিরি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অভিমন্যু দাস সংবাদ সংস্থাকে বলেন, ‘দিব্যা অন্য এক নারীর সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি গত কয়েক দিন ধরে ছুটিতে ছিলেন। বিকেলে তাঁর রুমমেট ফিরে এসে দেখেন ঘরটি ভেতর থেকে বন্ধ। তিনি বেশ কয়েকবার দরজায় ধাক্কা দেন, বারবার ফোনও করেন, কিন্তু দিব্যা কোনো সাড়া দেননি।’ এর পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তদন্তকারীরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই চিকিৎসককে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
এই ঘটনায় পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘আমরা একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছি। এইমস-এ ময়নাতদন্তের পর তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’