ওঙ্কার ডেস্ক: শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনির্দিষ্টকালের অনশন নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম মুখ খুলল মোদী সরকার। এদিন কেন্দ্রের তরফে দিল্লি হাইকোর্টে জানানো হয়েছে, সোনমের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখা হচ্ছে। সরকারি চিকিৎসকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যে কোনও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হবে ওই শিক্ষাবিদকে।
নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে সোনম ওয়াংচুক ১৯ দিন ধরে অনশন করছেন। তাঁর জরুরি চিকিৎসার দাবিতে দায়ের হওয়া একটি মামলার শুনানির সময় কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই মন্তব্য করা হয়। কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চকে জানান, সোনম ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের বিষয়টির উপর ইতিমধ্যেই সরকারি চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা নজর রাখছেন।
আদালতে মেহতা বলেন, ‘চিকিৎসকের রিপোর্টের ভিত্তিতে যে ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন হবে, তা দেওয়া যেতে পারে।’ তিনি আশ্বস্ত করেন, প্রয়োজনীয় যে কোনও পদক্ষেপ দ্রুততার সঙ্গে নেওয়া হবে। এদিন দিল্লি হাইকোর্টে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকার উভয়ের হয়েই সওয়াল করেন তুষার মেহতা। শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি উপাধ্যায় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার কাছে জানতে চান—ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখার কোনও ব্যবস্থা রয়েছে কিনা। কেন্দ্রের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, সোনম ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে। বিচারপতি এদিন আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি যে কোনও নাগরিকের জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। তা রক্ষার জন্য সরকারকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো উচিত।’