ওঙ্কার ডেস্ক: ভয়াবহ ঘটনা অসমের নগাঁও জেলায়। ক্যাম্পে কর্তব্যরত অবস্থায় এক সিআরপিএফ জওয়ান দুই সহকর্মীকে গুলি করে খুন করলেন। দুজনকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন তিনি। এই গুলি চালানোর ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও এক সিআরপিএফ কর্মী।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটিমারিতে ৩৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের ক্যাম্পে সকাল ৭টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পের গেটে কর্তব্যরত অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর বল্লানি প্রেমাবরম তাঁর সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন বিষ্ণু প্রসাদ বাঘেল ও রামনাওয়াল সিং যাদব। এ ছাড়া জখম হন এএসআই মানে গোবিন্দ শ্রীপুল। আহত জওয়ানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা এএসআই প্রেমাবরম সহকর্মীদের খুনের পর ব্যারাকের ভেতরে গিয়ে নিজের মাথায় গুলি চালিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নগাঁওয়ের সিনিয়র পুলিশ সুপার পার্থ প্রতিম দাস জানিয়েছেন, ক্যাম্পের গেটে ডিউটির সময় প্রেমাবরমের কাছে তাঁর নিজস্ব সার্ভিস রাইফেল ছিল না। তিনি বলেন, ‘গার্ড রুম থেকে একটি ইনসাস রাইফেল নিয়ে কোয়ার্টার গার্ড-এর পেছনের দিকে যান ওই জওয়ান। সেখানে বিষ্ণুকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর তিনি রামনাওয়াল সিংকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। তিনিও প্রাণ হারান। রামনাওয়াল নথি যাচাইয়ের কাজে সেখানে এসেছিলেন।’ এসএসপি জানান, দুজনকে হত্যার পর প্রেমাবরম এএসআই মানে গোবিন্দকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি গুরুতর জখম হন। ওই আধিকারিক আরও বলেন, ‘সহকর্মীদের ওপর গুলি চালানোর পর প্রেমাবরম একটি ব্যারাকের ভেতরে গিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন।’ ঠিক কী কারণে তিনি এই কাণ্ড ঘটালেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।