ওঙ্কার ডেস্ক: নিট ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ-সহ একাধিক দাবিতে পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তরুণ প্রজন্মের সেই আন্দোলনের সামনে নতিস্বীকার করেছে মোদী সরকার। ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেই আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ বার ইথানল-মিশ্রিত জ্বালানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে আত্মপ্রকাশ করল নয়া সংগঠন। নাম ‘ই-২০ জনতা পার্টি’।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ইনস্টাগ্রামে ই-২০ পার্টির অনুসারীর সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ১৮ হাজার। প্রতি মুহূর্তে যা বাড়ছে। এই সংগঠনের দাবি, কম দামে ১০০ শতাংশ খাঁটি বা সাধারণ জ্বালানি বিক্রি করতে হবে। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করির পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে তারা। উল্লেখ্য, ই ২০ জ্বালানি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সমাজ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে সরকার স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে, ‘নিম্নমানের’ বা মিশ্রণ-বিহীন জ্বালানি ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনও প্রস্তাব নিয়ে তারা ভাবছে না। বর্তমানে ভারতে যে পেট্রোল পাওয়া যায় তাকে ই ২০ বলা হয়, কারণ এতে ২০ শতাংশ ইথানল মেশানো থাকে। যদিও মোদী সরকারের দাবি, এটি প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত জ্বালানি। তবে সমালোচকদের দাবি, এই জ্বালানি ব্যবহারের ফলে গাড়ির মাইলেজ কমে যাচ্ছে এবং ইঞ্জিনের ক্ষতি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র জন্ম হয়। ব্যঙ্গাত্মক এই রাজনৈতিক সংগঠনটির জন্মের পর থেকে সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে।