ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারের পটনায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল খুনের মামলায় অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির। শুক্রবার ভোরে গঙ্গার তীরবর্তী শেরপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও অভিযুক্তদের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলির লড়াই চলে বলে দাবি করা হয়েছে। দু’পক্ষ মিলিয়ে মোট ৪২ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, সংঘর্ষের পর তিনজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
রিপোর্ট অনুসারে পাটনা জেলার মানের থানা এলাকার শেরপুরে এই গুলির লড়াইয়ে আহত হয়েছেন মানের থানার পুলিশকর্মী রজনীশ কুমার। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লেগেছে। পটনা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের অন্যতম কার্তিক কুমার শর্মা জানিয়েছেন, শেরপুরে অশান্তি তৈরির ছক কষছে কয়েক জন সমাজবিরোধী। এমন খবর পেয়েই অপরাধদমনে অভিযানে নামে স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। পটনা পুলিশের একটি দলও সেই অভিযানে সামিল হয়।
পুলিশের দল নির্দিষ্ট এলাকায় পৌঁছনোর পরই অভিযুক্তেরা গুলি চালাতে শুরু করে বলে দাবি। এতে আহত হন মানের থানার পুলিশকর্মী রজনীশ কুমার। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশের দাবি, তিন অভিযুক্ত গুরুতর আহত হওয়ার পর সংঘর্ষ থামে। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে দু’টি পিস্তল, একটি দেশি বন্দুক এবং বেশ কয়েকটি খালি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কার্তিক কুমার শর্মার বক্তব্য, পুলিশের পাল্টা গুলিতে কয়েক জন আহত হন। সংঘর্ষ থামার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে জখম অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাসপাতালে তাঁদের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ভিডিয়োগ্রাফি করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।