ওঙ্কার ডেস্ক: গত বুধবার পাখি (১২), প্রাচী (১৪) এবং নিশিকা (১৬) গাজিয়াবাদের ভারত সিটির নয় তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। যে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, কোরিয়ান গেমে আসক্ত ছিলেন তিন বোন। তাদের কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেওয়ার পরেই চরম সিদ্ধান্ত নেয় তিন কিশোরী। বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদে এই তদন্তে আরও নতুন তথ্য হাতে পেলেন তদন্তকারীরা।
প্রাথমিক ভাবে তিন বোনের আত্মহত্যার পিছনে গেমের প্রতি আসক্তিকে মূল কারণ হিসেবে ধরা হলেও তাদের বাবা চেতন কুমারের বক্তব্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেন, প্রথম স্ত্রী গর্ভধারণ করতে অক্ষম হওয়ায় তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। তবে তার সন্তানদের বয়স বিবেচনা করলে বয়ানের সঙ্গে মিলছে না। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘কুমার বারবার বক্তব্য পরিবর্তন করছেন। প্রথমে তিনি টিনার সঙ্গে তাঁর বিবাহ গোপন করার চেষ্টা করেছিলেন।’ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে নাবালিকাদের মাথায় আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছে। তাদের উপর যৌন নির্যাতনের কোনও চিহ্ন মেলেনি।
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চেতন কুমার, তাঁর তিন স্ত্রী – সুজাতা, হিনা এবং টিনা – এবং তাঁদের পাঁচ সন্তান গাজিয়াবাদের ভারত সিটি সোসাইটির একটি রুমে থাকতেন। যদিও তাঁদের তিনটি রুম ছিল। তাঁর প্রথম স্ত্রী সুজাতার একটি মেয়ে এবং একটি মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলে ছিল।
