ওঙ্কার ডেস্ক: কাগজ কলমে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করলেও যুদ্ধ থামার কোনও নাম নেই। পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘ সংঘাতের কারণে গোটা বিশ্বে নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম, পরিবহণ থেকে দৈনন্দিন জীবনের সব ক্ষেত্রেই তার প্রভাব পড়ছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়ে দিল, ভারতে কোনও জ্বালানি সঙ্কট নেই, প্রয়োজন হলে ভারত যেকোনও পরিস্থিতি সামলাতে প্রস্তুত। সংঘাত কমে গেলে চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই তেল সরবরাহ আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে, এমনটাই জানিয়েছে সরকার।
সোমবার পরিবহন, পর্যটন ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বন্দর ও নৌপরিবহণ মন্ত্রকের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা কমিটিকে জানান, ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও ভারতের জ্বালানি সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। বর্তমানে দেশের কাছে ৭৮ দিনেরও বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হলেও সুরক্ষার বড় ভরসা দেবে। এই নিয়ে সোমবার এই সংকটের জেরে আবারও পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলো। এ নিয়ে গত ১০ দিনে চার বার জ্বালানির দাম বাড়ল ভারতে। তেল আমদানির দিক দিয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। দেশটি তাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার অর্ধেকের বেশি হরমুজ প্রণালির মাধ্যমেই আমদানি করে। তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। দেশটি তাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার অর্ধেকের বেশি হরমুজ প্রণালির মাধ্যমেই আমদানি করে।
অপরদিকে তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবহণের খরচা। এর ফলে খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছেন মধ্যবিত্ত মানুষ। ইতিমধ্যেই দেখা গেছে, জ্বালানির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুধ ও রুটির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসেরও দাম বেড়ে গিয়েছে।