ওঙ্কার ডেস্কঃ অবশেষে গ্রেফতার রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। খুনের মামলায় ২৩ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও পুলিশের নাগালের বাইরেই ছিলেন রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও। এবার পথসুরক্ষা বিধি ভেঙে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন প্রশান্ত। সূত্রের খবর, সোমবার রাতে আটক করার পরে তাঁকে ইকো পার্ক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে ‘মোটর ভেহিকলস অ্যাক্ট’-এর আওতায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, স্বর্ণব্যবসায়ী খুনের মামলাতেও তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানাবে পুলিশ।
সূত্রের খবর, সোমবার রাতে নিউটাউনে এক পথচারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারার অভিযোগ ওঠে প্রশান্তের বিরুদ্ধে। ইকো পার্ক থানা এলাকায় আচমকা প্রশান্তের গাড়ি প্রথমে এক পথচারীকে ধাক্কা মারে। সামনে দাড়িয়ে থাকা একটি স্কুটারের সামনে ওই পথচারী ছিটকে পড়েন। স্কুটার আরোহীই প্রশান্তের গাড়ি আটকান। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই সময় মত্ত অবস্থায় ছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। অসংলগ্ন আচরণও করছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ অক্টোবর নিউটাউন থানার যাত্রাগাছির খালধার থেকে সল্টলেকের স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। ওই খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন প্রশান্ত। বারাসত ও বিধাননগর মহকুমা আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। তার বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিধাননগর পুলিশ। হাই কোর্ট সেই আগাম জামিনের নির্দেশ খারিজ করে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে গত ২৩ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টও তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও এত দিন পুলিশের নাগালের বাইরেই রয়ে গিয়েছিলেন রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও।
অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন।