ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল ত্যাগী সাংসদ অর্থাৎ এনসিপিআই এর সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তাঁকে গোটা বাদল অধিবেশনজুড়ে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বুধবার স্পিকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে, অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে আর অংশ নিতে পারবেন না কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঠিক কী ঘটেছে? অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান এনসিপিআই সাংসদরা। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার বিরোধীদের হট্টগোলের কারণে লোকসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। সূত্রের খবর, ওই সময়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায় এবং মিতালি বাগের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কাকলিরা কল্যাণের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্পিকারের কাছে। দুপুর ২টোর পর কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগটি উত্থাপন করা হয় সংসদের নিম্নকক্ষে। তখন লোকসভা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের টিডিপি সাংসদ কৃষ্ণপ্রসাদ তেনেটি। তিনি বলেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা সাংসদদের বিষয়ে অসংসদীয় ভাষা প্রয়োগ করেছেন। স্পিকারের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে। এর পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাঠ করেন। লোকসভার সম্মতিতে কল্যাণকে অধিবেশনকক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে নির্দেশ দেন তেনেটি। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানানো হয় ওই বিক্ষোভ থেকে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে দিল্লি পুলিশ টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায়। যা নিয়ে বুধবার সংসদে সরব হন বিরোধীরা। সেই আবহে ম্মমতাপন্থী তৃণমূল সাংসদকে সাসপেন্ড করা হল।