ওঙ্কার ডেস্কঃ ভোটে ভরাডুবির পর, পরিষদীয় দল দুই ভাগ। ভাঙতে পারে সংসদীয় দলও। পুরসভাও কার্যত হাতছাড়া! ভাঙন চিন্তা নিয়েই সোমবারে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই রাজধানীতে পৌঁছে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই আবহে তৃণমূলের মাটি শক্ত করতে ও ইন্ডিয়া জোটের বৈঠককে ফলপ্রসূ করতে তৎপর বিরোধী শিবিরের অন্যতম মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে ফের তৃণমূলের উত্থান ও জাতীয় রাজনীতি প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার জন্য তৃণমূলের সামনে একটাই ‘অপশন’ বিজেপিকে হারানো।
ইন্ডিয়া জোটের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তির আবহ। যার মূলে সিপিএম। সিপিএমের অভিযোগ, কেরলের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিশেষ করে রাহুল গান্ধী এবং অন্যান্য নেতারা বারবার দাবি করেছিলেন যে, ইউডিএফের সঙ্গে বিজেপির ‘গোপন সমঝোতা’ রয়েছে। বামেদের মতে, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষ্যেই যখন ইন্ডিয়া জোট গঠিত হয়েছিল, তখন শরিক দলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ জোটের ভিত্তিকেই দুর্বল করে। সূত্রের খবর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে চিঠি লিখেছেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। আঁতাঁতের অভিযোগ তোলার বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানাতে বলেছেন তিনি।
সংসদে তৃণমূল এখনও দ্বিতীয় বৃহৎ বিরোধী দল। আগামী লোকসভা নির্বাচনে সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া তারা। কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে কংগ্রেস তথা বিরোধী দলের হাত তৃণমূলকে ধরতেই হবে। তাই আগামিকালের বৈঠকে গত লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসে দেওয়া একের বিরুদ্ধে এক তত্ত্বকেই তৃণমূল সমর্থন করতে চলেছে বলে খবর।