ওঙ্কার ডেস্ক: চার বছরের এক শিশুকে অপহরণ ও খুনের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছিল গুজরাট পুলিশ। পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর সময় তাকে এনকাউন্টার করলেন তদন্তকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে সে রাজ্যের আনন্দ জেলায়। পুলিশ কর্মীদেরকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালানোর সময় এনকাউন্টার করা হয় তাকে।
আহমেদাবাদ রেঞ্জের ইন্সপেক্টর জেনারেল রাঘবেন্দ্র ভাটসা জানিয়েছেন, রবিবার রাতে পুলিশকর্মীদেরকে হামলা করে ওই অভিযুক্ত। তাতে দুই পুলিশ কর্মী আহত হন। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশ ওই অভিযুক্তকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ভাটসা বলেন, ‘রবিবার রাতে ছুরি দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে শিশুকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত। সেই সময় তাকে এনকাউন্টার করে পুলিশ। ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন।’ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম সুরেশ পারমার। তার বয়স ২০ বছর। আনন্দ জেলার ভাসাদ এলাকায় সাড়ে চার বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুসারে, শিশুটির বাবা-মা পরিযায়ী শ্রমিক। পরিবারের সঙ্গে ভাসাদ রেলওয়ে স্টেশনের একটি প্ল্যাটফর্মে ঘুমাচ্ছিল সে। শনিবার রাত ৯টা ১৫ নাগাদ তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রবিবার ভোরে রেললাইনে তার দেহ পাওয়া যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত শিশুটিকে নিয়ে যাচ্ছে। রেলওয়ে পুলিশ, আনন্দ জেলা পুলিশ, লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ, স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ এবং ভাসাদ পুলিশের একাধিক দল তাকে খুঁজতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। বোরসাদ শহরের বাসিন্দা পারমারকে রবিবার সন্ধ্যায় বোরসাদ গ্রামীণ পুলিশ গ্রেফতার করে। পরবর্তী তদন্তের জন্য লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে তুলে দেয় তাকে। রবিবার রাতে তদন্তকারীরা যখন পারমারকে আনন্দ শহরে নিয়ে যাচ্ছিলেন সে সময় বমি করার কথা বলে গাড়ি থামাতে বলে। গাড়ি থামার পর লুকিয়ে রাখা ছুরি দিয়ে দুই পুলিশ কর্মীর উপর হামলা করে পালানোর চেষ্টা করে। তখনই গুলি চালানো হয়।