ওঙ্কার ডেস্ক: এক কিশোরীকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে নির্মীয়মাণ বাড়িতে রাতভর গণধর্ষণের অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের দেবনাহাল্লিতে। যৌন অত্যাচারের পরদিন সকালে তাকে বাড়ির কাছে নামিয়ে দিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পুলিশ যে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে তাদের মধ্যে এক মহিলাও রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের নাম নবীন, ভেঙ্কটরমনা ও রেণুকা। ১৭ জুলাই রেণুকা ওই কিশোরীকে মন্দির দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তাকে নবীন ও ভেঙ্কটরমনার হাতে তুলে দেয়। তারা দুজনে তাকে অটোতে করে অন্য একটি জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথে জোর করে মদ্যপান করায় অভিযুক্তরা। কিশোরীর বাড়ির কাছে অটোটি থামিয়েও তারা সিদ্ধান্ত বদল করে। মেয়েটি মদ্যপ অবস্থায় থাকায় তারা তাকে বলে এই অবস্থায় বাড়ি গেলে ধরা পড়ে যাবে সে কারণে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় তারা। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘অভিযুক্তরা যখন কিশোরীর বাড়ির কাছে পৌঁছায়, তখন মেয়েটি বাড়ি ফেরার কথা বলে। কিন্তু তারা তাকে বলে, ‘তুমি মদ্যপ অবস্থায় আছো। এখন বাড়ি গেলে ধরা পড়ে যাবে এবং তোমার বাবা বকাবকি করবেন।’ এরপর তারা তাকে অন্য একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে।’
তদন্তে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা কিশোরীকে একটি নির্মীয়মান বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুজন মিলে তাকে সারা রাত ধরে ধর্ষণ করে। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে মারধরও করা হয়েছিল। পরদিন সকালে কিশোরীকে বাড়ির কাছে নামিয়ে দেওয়া হয়। অভিযুক্তরা তাকে হুমকি দেয়, যদি সে এই নির্যাতনের কথা কাউকে জানায় তবে তাকে মেরে ফেলা হবে। যদিও পরে বাড়ি ফিরে তার মাকে গোটা ঘটনার কথা জানায় নির্যাতিতা। বিষয়টি জানিয়ে দেবনাহাল্লি থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতার পরিবার। কিশোরীর জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।