ওঙ্কার ডেস্ক: আবার অশান্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষে মৃত্যু হল ৩০ বিক্ষোভকারীর। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। চলমান এই বিক্ষোভে জখম হয়েছেন প্রায় ২০০ জন। যদিও পাকিস্তানের দাবি, ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যে পাক পুলিশের এই দমন পীড়নের নিন্দা জানিয়েছে ভারত।
মঙ্গলবার ভারত বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানের চালানো নৃশংস দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে পুলিশের চরম দমন-পীড়নের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক দুনিয়া পাকিস্তানের এই অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য তাদের জবাবদিহির আওতায় আনবে বলে আশা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এটি পাকিস্তানের নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে নজর ঘোরানোর এক মরিয়া চেষ্টা।’
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থা নিয়ে সরব স্থানীয় মানুষ। সেখানকার নাগরিক সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটিকে প্রশাসনের তরফে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। রাওয়ালকোটে সেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তা রক্ষীদের গুলিতে নিহত হন এক ব্যবসায়ী। পুঞ্চ সেক্টরের কমিশনার সর্দার ওয়াহিদ খান জানান, হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দমন করতে গুলি চালাতে হয়। তাতে মৃত্যু হয় ছয় প্রতিবাদীর। যদিও পুলিশের দাবি, পাল্টা গুলি ও বোমা ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা। যার ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।