ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল ভাঙতে ভাঙতে কোথায় পৌঁছবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অঙ্ক কষা শুরু করে দিয়েছেন। রাজ্য বিধানসভার পরিষদীয় দল হাত ছাড়া হওয়ার পর রাজধানীর সংসদীয় দলেও ভাঙন হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের প্রতীক এবং পতাকা মমতার হাতে থাকবে কিনা তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই আবহে কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা বৈঠকে হাজির হলেন অভিনেতা তথা ঘাটালের সাংসদ দেব। শুধু দেব একা নন, সেই বৈঠকে ছিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ জুন মালিয়াও। ছিলেন বেসুরো বিধায়ক শিউলি সাহাও।
মূলত দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম তিনটি জেলাকে নিয়ে মঙ্গলবার কোলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠক হচ্ছে। দেব ঘাটালের সাংসদ, জুন মেদিনীপুরের। শিউলি কেশপুরের বিধায়ক। জেলাগুলিতে উন্নয়নমূলক কাজে গতি আনতে এই তিন জেলার বিধায়ক-সাংসদদের বৈঠকে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তৃণমূলের নির্বাচনী ভরাডুবি এবং তার পরবর্তী সময়ে দলে ভাঙন এবং বিদ্রোহের আবহে দেব-জুন-শিউলিদের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগদান আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রথম কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে তিন জেলার জনপ্রতিনিধি এবং নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের ডাকা হয়েছিল। ছিলেন বারাসতের বেসুরো সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং আব্দুল মাতিন সহ তৃণমূলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সোমবার দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে তৃণমূলের যে বেসুরো সাংসদরা বৈঠকে বসেছিলেন। তার নেতৃত্বে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে বেসুরো ২০ তৃণমূল সাংসদ চিঠিও দিয়েছেন এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এই আবহে দেব এবং জুনের পদক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।