ওঙ্কার ডেস্কঃ আরশোলাদের সংসদ অভিযানে রণক্ষেত্র দিল্লি। পুলিশের তরফে অনুমতি না মিললেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে এই অভিযান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পুলিশের। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করল পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রায় ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামিয়ে কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে যন্তর মন্তর চত্ত্বর।
দিল্লির এক পুলিশ কর্তা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মিছিল সংসদের দিকে এগোলে তা থামিয়ে দেওয়া হবে। সংসদ এবং তার আশপাশের এলাকা উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তার মধ্যে পড়ে। ফলে এখানে কোনও রকম কর্মসূচি আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। যদিও সিজেপি-র তরফে পালটা বলা হয়, ‘বৃষ্টি হোক এবং আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা আজ ককরোচ-দের কেউ থামাতে পারবে না।’
আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে শুরু হয় খণ্ডযুদ্ধ। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় দিল্লির পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন—রাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থ সাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া সর্বত্র ৫ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে তিনি যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন সমাজকর্মী ৫৯ বছর বয়সী সোনম ওয়াংচুক। তবে ২১ দিনের মাথায় সোনমকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। হাসপাতাল থেকেই সোমবার তিনটি শর্ত দিয়েছেন সোনম।