ওঙ্কার ডেস্ক: হাড়হিম করা ঘটনা পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলায়। বন্ধু ও প্রতিবেশী-সহ তিন জনকে গুলি করে খুন করলেন এক ব্যক্তি। এর পর সেই বন্দুক দিয়ে নিজেকে গুলি করে আত্মঘাতী হলেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে বাটালার মুন্ডি কালার গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঠিক কী কারণে এই খুন তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মনজোৎ সিং (৩৫)। মঙ্গলবার রাতে তিনি তাঁর কাকা নিশান সিংয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেই সময় সঙ্গে ছিলেন তাঁর বন্ধু পারগাত সিং—যিনি প্রাক্তন সেনা সদস্য। পারগাত খান পিয়ারা গ্রামের বাসিন্দা। রিপোর্টে দাবি, কাকার বাড়িতে যাওয়ার পর আচমকা পারগাতের পিস্তলটি হাত থেকে ছিনিয়ে নেন মনজোৎ। এর পর তাঁর কাকি হারদীপ কৌর (৪৫) ও কাকাতো ভাই হারামৃত সিংয়ের (১৩) ওপর গুলি চালান। এই হত্যাকাণ্ডের সময় নিশান বাড়িতে ছিলেন না বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় হতভম্ব হয়ে যান পারগাত। তিনি তীব্র আপত্তি জানান। মনজোতের সঙ্গে তাঁর তর্ক-বিতর্ক হয়। তার মাঝে আচমকা পারগাতকেও গুলি করেন তিনি। একটি খোলা জায়গা থেকে পারগাতের দেহ উদ্ধার হয়।
তিন জনকে গুলি করে হত্যার পর এরপর মনজোৎ নিজের বাড়ি ফিরে যান। অভিযোগ, বাড়ি গিয়ে একই অস্ত্র দিয়ে নিজেকেও গুলি করেন অভিযুক্ত। রান্নাঘর থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে নিশান বাড়ি ফিরে দেখেন তাঁর স্ত্রী ও ছেলের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। তিনি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে বাটালা সিভিল হাসপাতালে পাঠিয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, মনজোৎ ও নিশানের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। আর সে কারণেই এই হত্যাকাণ্ড।