ওঙ্কার ডেস্কঃ একদা বীরভূমের দাপুটে নেতা অনুব্রত মন্ডল। সময়ের ঘাত প্রতিঘাতে তিহাড় জেল থেকে মুক্তির পর কিছুটা হলেও আড়ালে ছিলেন। তবে বাংলায় পালাবদলের পর তাঁকে বেশি দেখা যায়নি। দলের ভরাডুবি নিয়ে একবারই প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। আবারও দলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মন্তব্য করলেন। তবে তিনি কোন তৃণমূলে? আসল তৃণমূল নাকি কালীঘাটের তৃণমূল, সে প্রশ্নে অবশ্য ধোঁয়াশাই রাখলেন।
অনুব্রতর কথায়, ‘‘আমি নতুন-পুরনো, পক্ষ-বিপক্ষ বুঝি না। আমি এখনও তৃণমূলেই আছি।” বীরভূমের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি বলেন, ‘‘সিপিএমকে খেদিয়ে তৃণমূলকে এনেছি। জন্মলগ্ন থেকেই সংগঠনে আছি। আমি এখনও পর্যন্ত তৃণমূল। পক্ষ বিপক্ষ সেভাবে বুঝি না।’
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূলের তৈরি নতুন জাতীয় কর্মসমিতিতে বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহা ও হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ এবং লাভপুর ও রামপুরহাট থেকে তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী অভিজিৎ সিনহা ও আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় স্থান পেয়েছেন। সূত্রের খবর, জেলার আরও তিন নির্বাচিত বিধায়ক, সিউড়ির প্রাক্তন বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, কাউন্সিলরেরাও সোমবার নব্য তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে হাজির ছিলেন।
রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জেলা কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর এখন বীরভূমে তৃণমূলের কোনও পদাধিকারী নেই। এই অবস্থায় নব্য তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির এই সদস্যরাই জেলার নতুন কমিটি তৈরি করবেন বলে জানান এক সদস্য।
ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়া অপর এক নেতাও দাবি করেন, কয়েকমাসে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। আমাদের এই দলে গঠনতন্ত্র মেনে সমষ্টিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।