ওঙ্কার ডেস্ক: প্রায় এক মাস ধরে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। যা ককরোচ জনতা পার্টি এবং আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। এই আবহে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী শনিবার মন্তব্য করেন ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগ ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের পথে একটি ‘প্রতীকী’ ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একইসঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়নের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি বিশাল পদক্ষেপ। এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ, কারণ তিনি নিজেই একটি প্রতীক ছিলেন! তবে এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় পদক্ষেপ।’ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রী ও তরুণদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যেক শিক্ষার্থী ও তরুণকে অভিনন্দন জানাতে চাই, যারা রাস্তায় নেমে গণতন্ত্রের জন্য, দেশের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করেছে এবং সংবিধানকে রক্ষা করেছে। আমি আপনাদের নিয়ে গর্বিত।’
লোকসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, এই পদত্যাগ সমাজের অন্যান্য অংশের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘এটি সমাজের অন্যান্য অংশ—কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্র মানুষ এবং এই সরকারের দ্বারা আক্রান্ত ও নিপীড়িত সকলের কাছেই একটি বার্তা। রুখে দাঁড়ানোর মধ্যেই রয়েছে প্রজ্ঞা ও সাহস। ভয় পাবেন না, আসুন আমরা এই সরকারকে হটিয়ে দিই—যে সরকার ভারতের ওপর আঘাত হানছে, আমাদের সংবিধান ধ্বংস করছে এবং আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে কব্জা করে নিচ্ছে।’