ওঙ্কার ডেস্ক: দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জরুরি অবস্থা জারির মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমনটাই দাবি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর। আদিবাসী সমাজের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভাষণ দেওয়ার সময় এ কথা বলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা।
রাহুল গান্ধী বিজেপি ও আরএসএসকে একসারিতে রেখে আক্রমণ শানান। তিনি বলেন, সঙ্ঘ পরিবার আদিবাসীদের বিরুদ্ধে। কংগ্রেস নেতার দাবি, এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সুনামি ধেয়ে আসছে—যা রুখে দেওয়ার সাধ্য কারও নেই। তাঁর দাবি, আন্তর্জাতিক অর্থনীতির অস্থিরতা মোকাবিলার যে রক্ষাকবচ ছিল কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপি সেগুলো ধ্বংস করে ফেলছে। দেশের প্রশাসনের অন্দরে প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্রোহ দানা বাঁধছে বলে দাবি রাহুলের। নির্বাচন কমিশন, গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের বার্তা আমার কাছে পৌঁছাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সনিয়া তনয়।
উল্লেখ্য, ভারতে শেষ জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল ১৯৭৫ এর ২৬ জুন। দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী গোটা দেশে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মূলত রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হলেও অর্থনৈতিক সংকট এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। যদিও মোদী জমানায় জরুরি অবস্থা জারি না হলেও বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।