ওঙ্কার ডেস্ক: ১৩ বছরের এক কিশোরীকে হোটেল মালিকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল এক অটো চালক। তার পর তাকে ৩০ জনেরও বেশি পুরুষ ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের শ্রী গঙ্গানগর জেলায়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সমাজ মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নেটাগরিকরা। পুলিশের কাছে দায়ের করা এফআইআর অনুযায়ী, এক ই-রিকশা চালক ওই কিশোরীকে বিক্রি করে দেয় এক হোটেল মালিকের কাছে। এর পর পাঁচ দিন ধরে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
এফআইআর-এ বলা হয়েছে, বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় ওই নাবালিকা। এর পর এক অটো চালক তাকে এক হোটেল মালিকের কাছে বিক্রি করে দেয়। অভিযোগ, বিক্রি করে দেওয়ার পর জেলার একাধিক হোটেলে কিশোরীকে পাঁচ দিন ধরে ধর্ষণ করে ৩০ জনেরও বেশি পুরুষ। এফআইআর-এ বেশ কয়েকজন হোটেল মালিকের নাম রয়েছে। নাবালিকার যৌন নির্যাতনের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন হোটেল মালিক ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্যাতিতা এফআইআর-এ অভিযোগ করেছে, বারবার ধর্ষণের ফলে যখনই সে ব্যথায় কাতর হয়ে পড়ত তখনই তাকে জোর করে মদ্যপান করানো হতো। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর শ্রী গঙ্গানগরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই জেলায় ১৫০টিরও বেশি অবৈধ হোটেল রয়েছে বলে অভিযোগ। অবৈধ সেই আবাসস্থলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে এক ব্যবহারকারী ঘটনার নিন্দা জানিয়ে লিখেছেন, ‘এসব কী হচ্ছে?! রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ৩০ জন নরপশু মিলে একাধিক অবৈধ হোটেলে নৃশংসভাবে গণধর্ষণ করেছে। ওই হারামজাদা ই-রিকশা চালক এই নিষ্পাপ শিশুকে হোটেলের মালিকদের কাছে মাংসের মতো বিক্রি করে দিল, আর পুলিশ কিছুই করল না? এটি ভারতের নিজস্ব ‘এপস্টাইন ফাইল’ কেলেঙ্কারি। ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে বিচার হোক, আর প্রতিটি অপরাধী—হোটেল মালিক ও দালাল রিকশা চালক—সবার ফাঁসি চাই!’