ওঙ্কার ডেস্ক: অনলাইনে অপপ্রচার ও ডিপফেক ঠেকাতে নজরদারি বাড়িয়েছে প্রশাসন। সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলির উপরও বেড়েছে চাপ। মার্চ থেকে জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ব্লকিং নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই নির্দেশ গিয়েছে মেটা, গুগল-সহ একাধিক বড় প্রযুক্তি সংস্থার কাছে। হিসাব অনুযায়ী, গড়ে প্রতি ৬৮ সেকেন্ডে একটি ব্লকিং নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, ওই সময়ের মধ্যেই দেশে একাধিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রশ্নফাঁস এবং ছাত্র আন্দোলনের মতো ঘটনাও ঘটেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্লকিং নির্দেশের বড় অংশই গিয়েছে মেটার কাছে। মোট নির্দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মেটার প্ল্যাটফর্মগুলির জন্য বলে জানা গিয়েছে। ইনস্টাগ্রামে প্রায় ১ লক্ষ ব্লকিং নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। ফেসবুকের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। গুগলের ইউটিউবও পেয়েছে প্রায় ১৫ হাজার নির্দেশ। এই নির্দেশগুলির মাধ্যমে নির্দিষ্ট পোস্ট, লিঙ্ক বা অন্য কোনও কনটেন্ট সরানোর কথা বলা হতে পারে।
সাধারণত এই ধরনের নির্দেশ পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সহযোগ’ পোর্টাল ব্যবহার করা হয়। পোর্টালটি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত হয়। শুধু কেন্দ্র নয়, রাজ্য সরকারগুলিও এই পোর্টাল ব্যবহার করতে পারে। তাই মোট নির্দেশের মধ্যে কেন্দ্র ও রাজ্যের অংশ কতটা, তা স্পষ্ট নয়।
সাম্প্রতিক পাঁচ মাসের পরিসংখ্যান আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মার্চ পর্যন্ত ১ লক্ষ ১১ হাজারের বেশি সন্দেহজনক অনলাইন কনটেন্ট ব্লক করা হয়েছিল।
আরটিআইয়ের তথ্যেও অন্য ছবি দেখা যায়। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১৯টি প্ল্যাটফর্মকে মোট ২,৩১২টি ব্লকিং নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে অধিকাংশ নির্দেশ ছিল হোয়াট্সঅ্যাপের জন্য।