ওঙ্কার ডেস্ক: আত্মসমর্পণ করলেন মাওবাদী সংগঠন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (পিএলজিএ)-র শীর্ষ নেতা সোদি কেশলু । তাঁর সঙ্গে অস্ত্র সমর্পণ করেছহেন আরও ৩৯ জন মাওবাদী কমানাডার। সোমবার তেলেঙ্গানা পুলিশের কাছে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মল্লা ওরফে কেশলু বস্তারে পিজিএলএ-র অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন। তিনি মূলত তেলেঙ্গানা-ছত্তিসগঢ় সীমান্তে সক্রিয় ছিলেন। মাওবাদী ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে কাজ করতেন কেশলু। পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে আত্মসমর্পণ করেছেন বর্ষীয়ান মাওবাদী নেতা বাদিসে দেবার পর তাঁকেই সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হিসেবে মনে করা হতো। অস্ত্র সমর্পণকারী মাওবাদীদের মধ্যে ডিভিশনাল কমিটির সদস্য, এরিয়া কমিটির নেতা এবং প্লাটুন-স্তরের ক্যাডাররা ছিলেন। পুলিশের কাছে তাঁরা একে-৪৭ রাইফেল, ইনসাস রাইফেল এবং এসএলআর রাইফেল-সহ বেশ কিছু অস্ত্র জমা দিয়েছেন।
তেলেঙ্গানা-ছত্তিসগঢ় সীমান্তে সক্রিয় কেশলুকে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি কারেগুট্টা পাহাড়ে প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন ক্যাডারের নেতৃত্ব দিতেন। যদিও তেলেঙ্গানা পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে কেশলুর মাথার দাম আগে ঘোষণা করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেশলুর মাথার দাম ছিল প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। উল্লেখ্য, চলতি বছরে তেলেঙ্গানায় বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ২ জানুয়ারি, পিএলজিএ ব্যাটালিয়ন-১ এর কমান্ডার বর্ষা দেবা ওরফে দেবন্না আত্মসমর্পণ করেন পুলিশের কাছে।