ওঙ্কার ডেস্ক: গত ১১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাওয়ার আগে জাতীয় গান হিসেবে বন্দেমাতরম গাইতে হবে। শুধু তাই নয়, শাহি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, যখনই জাতীয় গান-এর অফিশিয়াল সংস্করণ গাওয়া বা বাজানো হবে, তখন উপস্থিত সবাইকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হবে। মোদী সরকারের এই নির্দেশিকা ঘিরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই আবহে এবার এই বিষয়ে মুখ খুললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সোমবার উত্তরপ্রদেশের বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন চলাকালীন যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘বন্দে মাতরমের বিরোধিতা এবং জাতীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে ‘অপমানজনক মন্তব্য’ করা বিশ্বাসঘাতকতার চেয়ে কম কিছু নয়।’
সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, দুই দল সংবিধানের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং জাতীয় সঙ্গীতকে অসম্মান করছে। বাজেট অধিবেশন চলাকালীন তিনি বলেন, রাজনৈতিক লাভের জন্য যদি কেউ ভারতের আত্মার উপর আক্রমণকারী এবং হানাদারদের মহিমান্বিত করে, তবে নতুন ভারত এবং নতুন উত্তরপ্রদেশ তা মেনে নেবে না। তাঁর কথায়, ‘আপনারা দেখেছেন কীভাবে জাতীয়তাবিরোধী কাজকর্মের সমর্থনে বিবৃতি দেওয়া হয় বা জাতীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করা হয়। এটি বিশ্বাসঘাতকতার চেয়ে কম কিছু নয়।’
আদিত্যনাথ বলেন, ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি গণপরিষদ কর্তৃক স্বীকৃত জাতীয় গান ভারতের গর্ব ও সম্মানের প্রতীক। তেরঙ্গা, জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় গান এবং জাতীয় প্রতীককে সম্মান করা প্রত্যেক ভারতীয়ের কর্তব্য। সরকারি প্রতিষ্ঠানে বন্দেমাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।
