ওঙ্কার ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার রাজধানী দিল্লিতে যে বিক্ষোভ হয়েছিল তাতে পুলিশের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। জখম হয়েছিলেন মোট ৯০ জন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে কয়েক জনকে চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ২০ বছর বয়সী ওই তরুণীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার ওই তরুণীকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা ওই তরুণী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের দমন-পীড়নের সময় আহত হন। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ আহত ৭৯ জন পড়ুয়াকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, পড়ুয়া ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় ১১৮ জনেরও বেশি পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। প্রায় ৬০ জন বিক্ষোভকারীও আহত হয়েছেন। পুলিশের ২০টিরও বেশি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতাল ও লেডি হার্ডিঞ্জ হাসপাতালে আহত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
উল্লেখ্য, সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে ‘সংসদ চলো’ অভিযানে হাজার হাজার মানুষ সামিল হয়েছিলেন। অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী ছিল। নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস-সহ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানানো হয় সেই মিছিল থেকে। সোমবারের মিছিলে কেন পুলিশি হামলা চালানো হয়েছিল, তার জবাব চেয়ে মঙ্গলবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে হাত শিবিরের কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী মোদীর বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। সেই বিক্ষোভ থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানানো হয়।