ওঙ্কার ডেস্ক: মর্মান্তিক ঘটনা কর্নাটকের মাইসুরু জেলায়। এক ব্যবসায়ী তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সুইসাইড নোটে তিনি লিখে রেখে গিয়েছেন, কোথায় তাঁর দেহ পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে চার জনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। হুনসুর শহরের নিউ মারুতি লেআউট এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আত্মঘাতী ওই ব্যক্তির নাম হরিশ। ৪৯ বছর বয়স তাঁর। তিনি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, হরিশ প্রথমে তাঁর ৩৬ বছর বয়সী স্ত্রী নিশিথা এবং ১৪ ও ৮ বছর বয়সী দুই কন্যাকে হত্যা করেন শ্বাসরোধ করে। এরপর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। স্ত্রী ও দুই মেয়ের মুখে আঠালো টেপ লাগানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, হরিশ একটি সুইসাইড নোট রেখে গিয়েছেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেছেন, তাঁর দেহ বাড়ির ওপরের তলার একটি ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে তাতে উল্লেখ করেছেন একটি লকারে সম্পত্তির নথি রাখা হয়েছে। এ ছাড়া চাবি কোথায় রয়েছে সে বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন সুইসাইড নোটে। পুলিশকে অনুরোধ করেন তিনি, ওই চাবি উল্লিখিত ব্যক্তির হাতে যেন তুলে দেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই ঘটনার তিন দিন আগে হরিশ তাঁর মাকে দিদিমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে হুনসুর শহরের পুলিশ। মাইসুরুর পুলিশ সুপার মল্লিকার্জুন বালদান্ডি জানান, দুপুর ১২টা ১২ মিনিট নাগাদ মৃত্যুর খবর পাই আমরা। বাড়ির দোতলা থেকে হরিশকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি বলেন, ‘নীচের তলার একটি শোবার ঘর থেকে তাঁর স্ত্রী এবং ১৪ ও ৮ বছর বয়সী দুই মেয়েকে উদ্ধার করা হয়। তিন জনের মুখেই আঠালো টেপ মারা ছিল।’ পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও জানা না গেলেও এ বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।