ওঙ্কার ডেস্ক: সময়টা ছিল ২০১৮। তৎকালীন বিজেপির সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। মানহানির সেই মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন কংগ্রেস সাংসদ। উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের একটি আদালত তাঁকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, রাহুলের মন্তব্য মানহানিকর নয়।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী রায়ের দিন নিজেই সুলতানপুরের বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে হাজির হন। সেখানেই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সালে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের আগে বেঙ্গালুরুতে একটি জনসভায় তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন রাহুল। সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মানহানির মামলা দায়ের করেন বিজেপির তৎকালীন জেলা সহ-সভাপতি বিজয় মিশ্র। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয় মিশ্র জানিয়েছিলেন, ওই ঘটনার সময় তিনি বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি ছিলেন। তাঁর দাবি, রাহুলের মন্তব্যে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছিলেন। তিনি প্রায় ৩৩ বছর ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত। আইনজীবীর মাধ্যমে অভিযোগ দায়ের করার পর প্রায় পাঁচ বছর ধরে মামলাটি চলে।
২০২৩ সালে এই মামলায় আদালতে হাজির হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। পরে তিনি জামিন পান। এর আগে আদালত ১৩ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিল। পরে সেই তারিখ পরিবর্তন করে ২৬ অক্টোবর করা হয়। রাহুলের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী আরএস চিমা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কাশী শুক্লা, তরন্নুম চিমা, প্রসন্ন এস এবং আকাশ সিং। রায় ঘোষণার আগে উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি আরাধনা মিশ্র ‘মোনা’ বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।