ওঙ্কার ডেস্ক: চার মাসে আগে গত ১৫ এপ্রিল মূক ও বধির নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। সেই পাশবিক ঘটনার পর এখনও মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বিশেষ ভাবে সক্ষম ওই নাবালিকা। অসুস্থ শরীর নিয়ে প্রতিদিন যন্ত্রণা ভোগ করে চলেছে নির্যাতিতা। আদালত দোষীকে যাবজ্জীবন সাজা শোনালেও নির্যাতিতার পরিবার দোষীকে ফাঁসি দেওয়ার দাবি তুলেছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, গত ১৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে মাঠে গিয়েছিল বিশেষ ভাবে সক্ষম নাবালিকা। সেদিন বাইরে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি সে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরিবারের লোকজন তাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে রক্তে ভেজা পোশাক মেলে। গোপনাঙ্গ-সহ শরীরের বিভিন্ন নানা জায়গায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। মেডিকেল পরীক্ষা করা হলে চিকিৎসকরা জানান, নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম দান সিং যাদব (২৮)। নাবালিকা যে এলাকায় থাকত, সেখানকার বাসিন্দা সে। পকসো আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। গত ১১ আগস্ট রামপুর পকসো আদালত সেই মামলায় যাদবকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। সেই সঙ্গে ৬ লক্ষ টাকা জরিমানাও করেন বিচারক।
এই মামলায় বিচারক রামগোপাল সিং বলেন, ঘটনাটি অকল্পনীয় নির্মম। নির্যাতিতার পরিবারের তরফে দোষীর ফাঁসির দাবি করা হয়েছে। পরিবার বলে, দোষীর যাবজ্জীবন সাজা যথেষ্ট নয়। ও বেঁচে থাকবে অথচ আমাদের মেয়ের জীবন শেষ। এটা ন্যায় হতে পারে না।
