ওঙ্কার ডেস্ক: দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির সত্য নিকেতনে রবিবার মেসবাড়ি ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। ঘটনার পর ওই চত্বরে থাকা বাড়িগুলি নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। বাড়ির কাঠামো নিয়ে আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। ভেঙে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় তা পাশের বাড়িগুলির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
দিল্লির কলেজের খুব কাছে হওয়ায় ওই এলাকায় পড়ুয়াদের আনাগোনা লেগে থাকে। এই এলাকায় অনেক সাধারণ বাড়িকে ‘পেয়িং গেস্ট’ এ রূপান্তর করা হয়েছে। রবিবার যে মেসবাড়িটি ভেঙে পড়েছে, সেই বাড়িটির ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কংক্রিটের স্ল্যাবের তলায় আরও অনেক পড়ুয়া আটকে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। রবিবার যে বাড়িটির ধসে পড়ে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে, তার আশেপাশের বহুতলগুলোর বাসিন্দারা এখন নিজেদের বাড়ির কাঠামো নিয়ে আতঙ্কে ভুগছেন। সূত্রের খবর, ভেঙে পড়া বাড়িটির ধ্বংসস্তূপ সরানোর ফলে পাশের বাড়িগুলির কাঠামোর ওপর প্রভাব পড়তে পারে। যে বাড়িটি ধুলোয় মিশে গিয়েছে সেটির পাশের বাড়িটিও পাঁচ তলা। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ওই বাড়িটিতে কোনও পিলার ব্যবহার করা হয়নি।
দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার সঞ্জীব খিরওয়ার সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা খুঁজে বের করতে উদ্ধারকারীরা কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর কথায়, ‘ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তদন্ত করে দেখা হবে বাড়িটিতে কোনও প্রবেশ পথ বা বের হওয়ার পথ ছিল কি না। কোনও অবৈধ সংস্কার কাজ চলছিল কি না টাও খতিয়ে দেখা হবে।’