ওঙ্কার ডেস্ক: স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে রাজ্যে। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করবেন বিএলওরা। কমিশন সূত্রে খবর, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর অনেক ভোটারকে নোটিস পাঠানোর সম্ভাবনা। যদি সেই নোটিস কেউ পান তাহলে কী করণীয়? তা নিয়েই এই প্রতিবেদন।
কমিশন সূত্রের খবর, যারা কোনও কারণবশত ফর্ম ফিল-আপ করতে পারবেন না বা বাড়িতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে বিএলও না পেলে পরবর্তীতে খসড়া তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে, তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হবে। এই শুনানির নেতৃত্বে থাকবেন ইআরও এবং এইআরও। প্রথমে আপিল করা যাবে জেলা শাসকের কাছে, পরের ধাপে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের কাছেও অভিযোগ জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ভোটার। ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে অভিযোগ জানানোর পর্ব। পাশাপাশি, খসড়া ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে অথচ ২০০২ ভোটার তালিকার সঙ্গে ‘ম্যাচিং’ হয়নি যাঁদের নাম। তাঁরা ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে নোটিস পাবেন। তাঁদেরকে প্রামাণ্য নথি দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সূত্রের দাবি, প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ভোটারের নাম ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে না মেলার সম্ভাবনা। বর্তমানে রাজ্যে ভোটার রয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি।
প্রসঙ্গত, এসআইআর ঘিরে ইতিমধ্যে পারদ চড়তে শুরু করেছে বঙ্গ রাজনীতিতে। ভোটার তালিকা থেকে প্রকৃত ভোটারের এক জনের নামও বাদ গেলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।
