ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের নিরাপত্তা সবার আগে। আর তাই পুলকার নিয়ে পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিষ চক্রবর্তী একগুচ্ছ নির্দেশ দিলেন। বর্তমানে রাজ্যের বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের কোথাও টোটো, কোথাও বা ক্যাবে করে বহন করার কাজ করে। বে-আইনিভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নথি হীন গাড়িকে পুলকার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
এই আবহে সোমবার পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বৈঠক করেন পুলিশ, স্কুলশিক্ষা এবং পরিবহণ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে। বৈঠকে রাজ্যের সব জেলার পুলিশ সুপার, আরটিও-রাও উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, বৈঠকে পুলকার সংগঠনগুলোকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় যে গাড়িতে স্কুলে পড়ুয়াদের আনা-নেওয়া করা হচ্ছে তার বেশিরভাগ রাস্তায় চলার যোগ্য নয়। কোনও গাড়ির সিএফ ফেল, কোনওটির আবার ইনস্যুরেন্স ফেল। তাই পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সমস্ত গাড়ির ক্ষেত্রে প্রতিবছর সিএফ করানোর কথা ভাবছে রাজ্যের পরিবহণ দফতর। পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, ‘পড়ুয়াদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনওরকম আপস করব না আমরা। পুলকার সংগঠনগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। গাড়ির স্বাস্থ্যের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যে গাড়িই হোক, প্রতিবছর সেগুলোর সিএফ করানোর কথা পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
সূত্রের খবর, সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গাড়িতে নির্দিষ্ট রঙ করা, ‘অন স্কুল ডিউটি’ লেখা বোর্ড ব্যবহার করা গাড়িতে, এ ছাড়া অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, ভিএলটিডি লাগানোর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে গাড়ির তালিকা নির্দিষ্ট রাখা-সহ পরিবহণ ব্যবস্থাপনার জন্য একজন আধিকারিককে নিয়োজিত করার কথা বলা হয়েছে পরিবহন দফতরের তরফে।
