স্পোর্টস রিপোর্টার : শুক্রবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গুজরাট টাইট্যান্সের কাছে ৫ উইকেটে হার নাইটদের। প্লে অফের লড়াইয়ে থাকতে এদিন জিততেই হত। এই ম্যাচ থেকে প্রাপ্তি ক্যামেরুন গ্রিন বরুণ চক্রবর্তী। দলকে বৈতরণী পার না করাতে পারলেও বেগুনি জার্সিতে প্রথম অর্ধশতরান গ্রিনের। অন্যদিকে চলতি আইপিএলে প্রথম উইকেট পেলেন বরুণ। এদিনের জোড়ায় আইপিএলে উইকেটের সেঞ্চুরি। তবে তাতে দলের অবস্থান বদলায়নি। পাঁচ হারে এখনও টেবিলের লাস্টবয় কেকেআর।
অন্যদিকে জয়ের হ্যাটট্রিক গুজরাটের। শুভমন গিলের কাছে আত্মসমর্পণ নাইটদের বোলারদের। গুজরাট অধিনায়ক আউট হওয়ার পর ম্যাচে ফেরার তেমন সুযোগ ছিল না। শেষ ওভারে ৫ রান প্রয়োজন ছিল। অনায়াসে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গুজরাট। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারের শেষে ১৮০ রানে অলআউট নাইটরা। শেষ ওভারের প্রথম বলে গ্লেন ফিলিপস আউট হওয়ার পর ম্যাচে ফেরার একটা হালকা সুযোগ ছিল। কিন্তু ২ বল বাকি থাকতে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। চলতি আইপিএলে ঘরের মাঠে প্রথম জয় গুজরাটের। রবিবার ইডেনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে নামবে নাইটরা। ম্যাচ বিকাল ৩. ৩০ মিনিটে। এই ম্যাচে না জিতলে প্লে অফে একপ্রকার তালা পড়ে যাবে।
তবে নাইট অধিনায়ক আজিঙ্ক রাহানে কিন্তু আছেন নিজের মর্জিতেই। তিনি বললেন,’ম্যাচ হেরে সঙ্গে সঙ্গে সেই বিষয়ে কথা বলা কঠিন। তবে আমি শুধু ভাল দিকের কথাই বলব। শুরুতে তিন উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ক্যামেরন গ্রিন পাল্টা আক্রমণ করল। চাপের মধ্যে ওর ইনিংস অসাধারণ। ১৮০ রান বাঁচাতে দলের বোলারেরাও নিজেদের সবটা দিল। শেষ ওভার পর্যন্ত খেলা নিয়ে গেল। সেটাও কম কৃতিত্বের নয়। আমি শুধু ইতিবাচক দিকটা দেখছি।শুভমন খুব ভাল ব্যাট করেছে। আমার মনে হয়েছে, লেংথ বল পিচে পড়ে একটু থমকাচ্ছিল। কিন্তু ব্যাটের কাছে বল ফেললে খুব ভাল ভাবে ব্যাটে আসছিল। তবে অজুহাত দিতে চাইছি না। পাওয়ার প্লে-তে আমাদের উইকেট দরকার ছিল। শুভমন ও সুদর্শন ভাল ব্যাট করল।এক একটা মরসুম এ রকম হয়। আমরা তিনটে ম্যাচ কাছে গিয়ে হেরেছি। সেগুলো জিততেই পারতাম। আমার মতে, এই পরিস্থিতিতে খুব বেশি ভেবে লাভ নেই। আমরা মাঠে নামব। খেলা উপভোগ করার চেষ্টা করব। আমাদের হাতে যা রয়েছে সেটা করার চেষ্টা করব। দল হিসাবে ভাল ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করব। ইতিবাচক থেকে প্রথম বল থেকে আক্রমণের চেষ্টা করব।ইডেনে জেতার টার্গেট করব অবশ্যই।’
এখন দেখার ইডেনে দল কোনো পরিবর্তনের দিকে আসে কিনা!