স্পোর্টস রিপোর্টার : ডুরান্ড কাপ জেতার পরে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবেই এল ট্রফি। এদিন ক্লাব তাঁবুতে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ডুরান্ড কাপ জয়ের বিজয় উৎসব হয়।সোমবার সকালে ক্লাবের ঐতিহ্য মেনে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সভাপতি মুরারিলাল লোহিয়া, সচিব রূপক সাহা, শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। রাতে দীর্ঘ উদযাপনের কারণে ফুটবলাররা সকালে উপস্থিত থাকতে না পারলেও বহু সমর্থকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হয়। ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ম্যানেজারও।
পাশাপাশি রবিবার খেলার পর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সমর্থকরা আক্রান্ত হন। এইদিন সেইসব আক্রান্ত সমর্থকদের পাশে দাঁড়ালো ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ডুরান্ড কাপ তথা জেতার পরেও যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডার্বি জিতে ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফেরার পথে আক্রান্ত হতে হল লাল-হলুদ সমর্থকদের। রবিবার রাতে ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম সংলগ্ন ইএম বাইপাসের কাদাপাড়া এলাকা দিয়ে ফেরার সময় ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া এবং শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে। এমনকি বিকাশ ভবনের কাছাকাছি এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জও করতে হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে ক্লাব।

সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দেন লাল-হলুদ শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘এটা বহু দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আসছে। এর একটা স্থায়ী সমাপ্তি হওয়া খুব দরকার। সমর্থকরা ওই রাস্তা দিয়ে ফেরার সময় যে ভাষায় এবং যেভাবে তাদের ওপর আক্রমণ করা হয়, তার নিন্দার কোনও ভাষা নেই। বিষয়টি নিয়ে আমি আগেও প্রশাসন ও বিগত সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম। তখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। আজ বিকেলেই আমরা বর্তমান ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে যাচ্ছি। আমরা জানতে চাইব, কেন বারবার সমর্থকদের ওপর এই ধরনের হামলা হবে ? কেনই বা প্রশাসন এর স্থায়ী কোনও সমাধান করতে পারছে না ?’এছাড়া তিনি বলেন, ‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে কোনও রাজনীতির জায়গা নেই। আমাদের প্রশাসনে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থাকেন না। সব সরকারের সঙ্গেই আমাদের সুসম্পর্ক থাকে এবং ক্লাবে কোনও রংবদল হয় না। যতদিন আমি আছি, ততদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব রাজনীতি মুক্তই থাকবে।’