Skip to content
এপ্রিল 24, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Primary Menu
  • কলকাতা
  • পশ্চিমবঙ্গ
    • উত্তরবঙ্গ
    • বর্ধমান
    • পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
    • হাওড়া ও হুগলি
    • পুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়া
    • উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    • নদিয়া মুর্শিদাবাদ
  • দেশ
  • বিদেশ
  • বাংলাদেশ
  • সম্পাদকের পাতা
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
    • বইপত্র
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফ স্টাইল
  • ভ্রমন
  • পাঁচফোড়ন
  • লাইভ
  • ভিডিও
  • যোগাযোগ করুন
  • Home
  • খেলা
  • ১৩৪ বছরে প্রথমবার ফাইনালে ৬ গোল,পরপর ২ বার কলকাতা থেকে ডুরান্ড নিল নর্থ ইস্ট

১৩৪ বছরে প্রথমবার ফাইনালে ৬ গোল,পরপর ২ বার কলকাতা থেকে ডুরান্ড নিল নর্থ ইস্ট

Online Desk আগস্ট 24, 2025
FB_IMG_1756003091857.jpg

স্পোর্টস ডেস্ক : ডায়মন্ডহারবার পতাকায় গ্যালারি ভরানো বাস ভর্তি করে লোক আনা সব উপকরণই ১৩৪ তম ডুরান্ড কাপে প্রথমবার খেলতে নেমে মজুত রেখেছিল ডায়মন্ড হারবার এফসি। কিন্তু স্বপ্ন আর বাস্তবে তো অনেক তফাৎ। যতটা তফাৎ আইএসএলের প্রথম সারির নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড আর প্রথমবার আই লিগে কোয়ালিফাই করা ডায়মন্ডহারবার এফসির। সেই ফারাকটাই চোখে পড়লো শনিবারের ফাইনালে ৬-১গোলের মালা পড়িয়ে ডায়মন্ডকে হারিয়ে পরপর ২ বার কলকাতার বুকে ডুরান্ড ঘরে তুলল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড। যদিও এই ম্যাচের শুরু থেকেই দুটো দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু, অভিজ্ঞতার অভাবে সেই আক্রমণ কিছুতেই দানা বাঁধছিল না ১৮৮৮ থেকে শুরু হওয়া এই ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্টে দেশের স্বাধীনতার পর নির্ধারিত সময়ে এত বড় (৬-১) ব্যবধানে কেউ ফাইনালে জেতেনি। ২০০১-এ মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড ৫-০-য় চার্চিল ব্রাদার্সকে হারিয়ে ডুরান্ড কাপ জয় করেছিল। ১৯৫৩-য় ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিকে ৪-০-য় হারিয়েছিল মোহনবাগান। কিন্তু ফাইনালে হাফ ডজন গোল করে জেতা, স্বাধীন ভারতে ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে এই প্রথম।

যদিও টানা দু’বার ডুরান্ড কাপ জয়ের নজির কলকাতার দুই প্রধানেরও আছে। দু’বার নয়, তারা টানা তিনবার জিতেছে। মোহনবাগান দু’বার (১৯৬৩, ৬৪, ৬৫ ও ১৯৮৪, ৮৫, ৮৬) এবং ইস্টবেঙ্গল একবার (১৯৮৯, ৯০, ৯১)। সে দিক থেকে তারা নয়া নজির না গড়লেও চলতি শতকে কোনও দল টানা দু’বার ডুরান্ড কাপ জিততে পারেনি।

চ্যাম্পিয়ন হয়ে এক কোটি ২১ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কার পেল তারা। সঙ্গে ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ ও সিমলা ট্রফি। এ ছাড়াও প্রেসিডেন্টস কাপ তাদের হাতে তুলে দেবেন দেশের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদি মুর্মু। আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপতি ভবনে এক অনুষ্ঠানে এই ঐতিহ্যবাহী কাপ তিনি তুলে দেবেন বিজয়ী দলের হাতে। এ দিন শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি। তাদের কোচ হুয়ান পেদ্রো বেনালি এ দিন প্রতিপক্ষকে কৌশলের চালে মাত দেন তাঁর দলের প্রধান অ্যাটাকার আলাদিন আজারেইকে কিছুটা পিছন থেকে খেলিয়ে। তিনি জানতেন ডায়মন্ড হারবারের খেলোয়াড়রা মরক্কোর গোলমেশিনকে কড়া পাহাড়ায় রাখবেন। সে কথা মাথায় রেখেই আলাদিন প্রতিপক্ষের গোল এরিয়ায় কমই থাকছিলেন। তিনি গোলের সুযোগ তৈরিতে মন দেন এবং তাতেও নর্থইস্টের আক্রমণের ধার এতটুকু কমেনি।

প্রথমার্ধে যেখানে উত্তর-পূর্ব ভারতের দল হাফ ডজন শট গোলে রাখতে পারে, সেখানে একটির বেশি শট গোলে রাখতে পারেনি ডায়মন্ড হারবার এফসি। তাদের আক্রমণের চাপে ডায়মন্ড হারবারের রক্ষণও বেশ আগোছালো হয়ে যায়। তাদের রক্ষণের মধ্যে ছোট ছোট অনেক ফাটল দেখা যায়। এই ফাটল কাজে লাগিয়েই ৩০ মিনিটের মাথায় কর্নারের পর কলকাতার দলের বক্সে হানা দেয় এবং গোল বাঁচাতে গিয়ে গোলকিপার মিরশাদ মিচুর হাত থেকে বল ছিটকে আসে নর্থইস্ট ডিফেন্ডার আশির আখতারের পায়ে। গোলের সামনে থেকে জালে বল জড়াতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি তিনি (১-০)।

গোল খাওয়ার পর তা শোধ করার চেষ্টা শুরু করে ডায়মন্ড বাহিনী। কিন্তু সে জন্য প্রায়ই যে তাদের রক্ষণ প্রায় জনশূন্য হয়ে যাচ্ছিল, তা খেয়াল করেনি তারা। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে সংযুক্ত সময়ে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে যখন ফাইনাল থার্ডে প্রবেশ করেন অসমের উঠতি তারকা পার্থিব গগৈ, তখন তাঁকে বাধা দেওয়ার মতো খুব কম খেলোয়াড়ই ছিলেন। প্রায় বিনা বাধায় বাঁদিক দিয়ে বক্সে ঢুকে কোণাকুনি শট নেন সোজা গোলে, যা দ্বিতীয় পোস্টের দিক দিয়ে গোলে ঢুকে পড়ে। মিরশাদ হাওয়ায় শরীর ভাসিয়ে বল আটকানোর চেষ্টা করলেও নাগাল পাননি (২-০)।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে একই মেজাজে ছিল নর্থইস্ট। তবে প্রথমার্ধের চেয়ে এই অর্ধে আলাদিনকে কিছুটা চনমনে মনে হয়। চাপে থাকা প্রতিপক্ষের ওপর চাপ আরও বাড়ানোর জন্যই এই কৌশল। ৫০ মিনিটের মাথাতেই আলাদিনের চনমনে হয়ে ওঠার প্রভাব টের পায় ডায়মন্ড বাহিনী। সেন্টার লাইনের এ পারে বল পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে দ্রুত গোল এরিয়ায় ঢুকে পড়েন তিনি। তাঁর গতির সঙ্গে পেরে ওঠেননি হীরক বাহিনীর ডিফেন্ডাররা। বক্সের বাঁ দিক থেকে গোলের সামনে নিখুঁত ক্রস পাঠান আলাদিন, যা অনুসরণ করে দূরের পোস্টের দিক থেকে পায়ের টোকায় জালে জড়িয়ে দেন রুয়াতকিমা, ওরফে থোই সিং (৩-০)।

তিন গোলে পিছিয়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ডায়মন্ড হারবার এফসি। কিন্তু ততক্ষণে তাদের দলের অনেকেই ক্লান্ত হতে শুরু করেছেন। নর্থইস্টের খেলোয়াড়রাও জয়ের গন্ধ পেয়ে যান। ফলে কিছুটা হলেও গা ছাড়া ভাবা দেখা যায় তাদের খেলায়। এ রকমই সময়ে, ৬৮ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে একটি গোল পেয়ে যায় ডায়মন্ড হারবার।

কর্নারের পর জবি জাস্টিন নীচু হয়ে হেড করে বল গোলের দিকে পাঠান, যাতে ট্যাপ করে বলের গতিপথ বদলে জালে জড়িয়ে দেন লুকা মাজেন। তাঁর টোকাও এমন কিছু জোরালো ছিল না। কিন্তু বলের গতিপথ হঠাৎ বদলে যাওয়ায় সঠিক জায়গায় ছিলেন না গোলকিপার গুরমিত। ফলে প্রায় গড়িয়ে গড়িয়ে বল গোলে ঢুকে যায় (৩-১)।

ব্যবধান কমানোর পর ফের উৎসাহ পেয়ে যায় হীরক-বাহিনী এবং ব্যবধান ফের কমানোর চেষ্টা শুরু করে তারা। নর্থইস্টও জয় নিশ্চিত করতে আরও একটি গোল পাওয়ার জন্য নড়েচড়ে বসে এবং এই সময়ে তৎপর হতে দেখা যায় আলাদিনকে। ৭৫ মিনিটের মাথায় তাঁকে ফাউল করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মিকেল কোর্তাজার। তবে বক্সের সামনে থেকে ফ্রি কিক পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি আলাদিন।

ড্রিঙ্কস ব্রেকের পর ৮১ মিনিটের মাথায় জয় ও টানা দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ৯০ শতাংশ নিশ্চিত করে ফেলেন রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে নামা স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড জায়রো বাস্তারা এবং তার পাঁচ মিনিট পরেই তাদের পাঁচ নম্বর গোলের পর নর্থইস্টের খেতাব জয় নিয়ে কোনও সংশয়ই ছিল না।

বাঁ দিকের উইং থেকে ফ্রি কিক বক্সে উড়ে যাওয়ার পর তা বক্সের বাইরে চলে আসে জায়রোর পায়ে। তখন মিরশাদ গোলের বাঁ দিক ঘেঁষে ছিলেন। তাঁর ডানদিকের ফাঁকা জায়গা দিয়ে দূরপাল্লার শটে বল জালে জড়িয়ে দেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড (৪-১)।

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে ফের দেখা যায় আলাদিনের জাদু এবং বাঁ দিক দিয়ে ফের বল নিয়ে উঠে দূরের পোস্টের দিকে ক্রস বাড়ান, যা পড়ে অ্যান্ডি গাইতানের পায়ে। তিনি হাঁটুর নীচ দিয়ে বল গোলে পাঠিয়ে দেন (৫-১)।

ফাইনালে এতগুলো গোল হয়ে গেলেও তাঁর নামে কোনও গোল নেই দেখে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন আলাদিন এবং সংযুক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোলমুখী মরক্কান তারকাকে বক্সের মধ্যে টেনে ফেলে দেওয়ায় পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। আলাদিনের স্পট কিক বারের নীচে লেগে গোলে ঢুকে যায় (৬-১)। ভারতীয় ফুটবলে এটি তাঁর ৪০তম গোল এবং ডুরান্ড কাপে অষ্টম গোল।

ততক্ষণে ভিআইপি বক্সে টানা দ্বিতীয়বার ডুরান্ড খেতাব জয়ের উৎসব পালন শুরু করে দিয়েছেন নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কর্ণধার বলিউড তারকা জন আব্রাহাম ও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা।

Post Views: 206

Continue Reading

Previous: যতদিন ফিট থাকবেন খেলবেন জানালেন কিং কোহলি
Next: জলাধার : বাস্তবায়িত হচ্ছে উন্নত ভারতের স্বপ্ন

সম্পর্কিত গল্প

randhir-jaisawal.png

ট্রাম্পের ‘হেলহোল’ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া বিদেশ মন্ত্রকের

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
convict.jpg

দিল্লিতে আমলা-কন্যাকে ধর্ষণের পর খুন, তার পর হোটেলে গা ঢাকা অভিযুক্তের, অবশেষে গ্রেফতার

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
Untitled.png

কতটা আক্রমণাত্মক এমবাপে বাহিনী? বিশ্ব কাপের জন্য কতটা প্রস্তুত তাঁরা?

Online Desk এপ্রিল 23, 2026

You may have missed

mamata-dharna.jpg

প্রথম দফায় ভোটের ঝড়! কী বললেন মমতা?

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
voter-bengal.jpg

প্রথম দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৯২ শতাংশ! সর্বকালীন রেকর্ডের পথে পশ্চিমবঙ্গ

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
peace-deal.png

পাকিস্তান নয়, আমেরিকার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় চিনকে চায় ইরান

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
hgf

প্রথম দফায় বঙ্গে রেকর্ড! বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়ল প্রায় ৯০ শতাংশ

Online Desk এপ্রিল 23, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.