স্পোর্টস ডেস্ক : সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলছেন। রবিবার ২০২৬ আইপিএল টুর্নামেন্টে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং লখনউ সুপার জায়ান্টসের মধ্যে ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। লখনউয়ের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করলেন মহম্মদ শামি তিনি নিজের চার ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে জোড়া উইকেট শিকার করলেন। সেকারণে তাঁর হাতেই প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে।
শামির এই ঝকঝকে বোলিংয়ের কারণে হায়দরাবাদ বড় রান করতে পারেনি। এই ম্যাচের শুরুতেই ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মার উইকেট শিকার করে মহম্মদ শামি হায়দরাবাদের কোমর কার্যত ভেঙে দিয়েছিলেন। হোম গ্রাউন্ডে হায়দরাবাদ-কে যথেষ্ট লড়াই করতে দেখা যায়। শামির স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হন ট্রাভিস হেড এবং অভিষেক শর্মা। এই ম্য়াচে অভিষেক রানের খাতা খুলতে পারেনি। যদিও ট্রাভিস হেড ৭ রান করে আউট হয়ে যান। এই ম্য়াচে শামির বোলিং থেকে কার্যত আগুন ঝরছিল। তাঁর বিরুদ্ধে হায়দরাবাদ ব্যাটাররা এক একটা রান করার জন্য লড়াই করছিল।
২০২৫ আইপিএল টুর্নামেন্টে মহম্মদ শামি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলেছিলেন। সেবার আইপিএল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে একটি মেগা নিলাম আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই হায়দরাবাদ তাঁকে ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে কিনেছিল। কিন্তু, প্রত্যাশা অনুসারে শামি একেবারে পারফরম্যান্স করতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে হায়দরাবাদ তাঁকে লখনউ ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে ট্রেড করে দেয়। এই ট্রেড কোনও ক্রিকেটারের পরিবর্তে হয়নি। বরং, লখনউ হায়দরাবাদকে পুরো ১০ কোটি টাকা দিয়ে শামিকে দলে নিয়েছে। গত মরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে শামি মোট ৯ ম্যাচে খেলেছিলেন। এই ৯ ম্যাচে তিনি মোট ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন। ভারতীয় দলে আর সুযোগ দেন নির্বাচকরা।ঘরোয়া ক্রিকেটের পরে আইপিএলেও ভালো পারফরমেন্স করে ব্রাত্য তিনি। যদিও শামি বললেন, “যদি আপনি খেলতে চান তাহলে আপনাকে খেলার কাছাকাছি থাকতে হবে। একমাত্র ফিট থাকলেই দক্ষ হাতে ম্যাচে নিজের ক্যারিশমা দেখাতে পারবেন। ঠিক সেই কারণেই আমি ক্রমাগত ফিট থেকে সব ম্যাচ খেলার চেষ্টা করেছি।” তিনি আরও বলেন, “আমি যন্ত্র নই। আমি সবসময় ভাল খেলার চেষ্টা করেছি। লোকে দেখেনি সেটা আলাদা বিষয় কিন্তু উত্থান-পতন থাকবেই। এটাই স্বাভাবিক।”
চোট সরিয়ে হায়দরাবাদ দলের হয়ে ভাল পারফরম্যান্স করতে পারেননি শামি। ৯ ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে মরসুম শেষ করেছিলেন। গড় ছিল ১১.২৩। এই বছর তুলনামূলক ভাল ফর্মে। তাঁর এই ভাল ফর্মের জন্য বোলিং কোচ ভরত অরুণকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন শামি। তিনি বললেন, ”ভরত ভাইয়ের সঙ্গে অনেক দিন কাজ করেছি। তাই ওনার সঙ্গে আমার বন্ডিং ভাল। লখনৌ আমার দ্বিতীয় ঘর তাই মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়নি।’