স্পোর্টস ডেস্ক : কামব্যাক ইস্টবেঙ্গলের। ডেম্পোর কাছে প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পরে দ্বিতীয় ম্যাচে চেন্নাইয়ান এফসির বিরুদ্ধে ৪-০ গোলে জিতে সুপার কাপের সেমিফাইনালের আশা বজায় রাখলো তারা। ফলে ৩১ অক্টোবর ডার্বিতে ফয়সলা। তবে ইস্টবেঙ্গলকে সেমিতে যেতে গেলে ডার্বি জয় ছাড়া গতি নেই। এদিন হামিদ আহদাদ, মিগুয়েল ফিগুয়েরা-সহ প্রথম একাদশে চার বিদেশিকেই রেখেছিলেন। জয় গুপ্তাও শুরু থেকেই ছিলেন। তবে ২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত চেন্নাই। ফারুক চৌধুরী হঠাৎ বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে যায়। তাঁর শট বাঁচিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার প্রভসুখন সিং গিল। গিলকে কেন ভরসা না রেখে শিল্ড ফাইনালে ভুল করে ইস্টবেঙ্গল ফের দেখা গেল। এরপর ইস্টবেঙ্গলের পেনাল্টি আবেদন নাকচ হয়।
তবে ৩৪ মিনিটে গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ জার্সিতে আর্জেন্তিনীয় ডিফেন্ডারের এটা প্রথম গোল। এরপর ৩৯ মিনিট। এবার মহেশ পাস বাড়ালেন ডান দিক থেকে। প্রীতম কোটাল, রাজ বাসফোরদের দিয়ে সাজানো রক্ষণকে এক লাইনে রেখে ব্যবধান বাড়ান বিপিং সিন। দুই উইংয়ের যুগলবন্দী ফের দেখা গেল হাফটাইমের ঠিক আগে। মাঝমাঠ থেকে বল ধরে বাঁদিকের উইংয়ে খেলা ছড়ালেন মহেশ। মাঝে হামিদ বলে পা লাগানোর চেষ্টা করেও পেলেন না। কিন্তু বিপিন ঠিকই পেলেন। এবং ইস্টবেঙ্গলের জন্য ৩-০ করে দিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে আর গোল হয়নি। শেষদিকে নেমে হিরোশির একটি দূরপাল্লার শট বারে লেগে ফেরে। পরে পেনাল্টি থেকে গোল করেন হিরোশি।ম্যাচ শেষে লাল হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজো বললেন,এখন আমাদের টার্গেট শুধুই ডার্বি জেতা। ওদের বিদেশী ছিল না এটা মাথায় রাখতে হবে। ডার্বিতে সেটা হবে না।
