ওঙ্কার ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের একটি মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, রবিবার বিহারের পটনায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় খাড়্গে প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছেন। শুধু তাই নয়, অসম্মান করেছেন তাঁর প্রয়াত বাবাকেও। এমন মন্তব্য দেশের মর্যাদাকেও আঘাত করেছে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের।
রিপোর্ট অনুসারে, ঘটনার সূত্রপাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ব্যক্তির মন্তব্যকে ঘিরে। ভিড়ের মধ্যে থেকে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘মোদী যাবেন না।’ এর জবাবে মঞ্চ থেকে খাড়্গে বলেন, “মোদী যাবেন না , তাঁর বাপ যাবে।’ এ কথা তিনি আরও তিনবার বলেন বলে অভিযোগ। এর পরেই উত্তেজনা ছড়ায় অনুষ্ঠানে। সন্তোষ কুমার নামে ওই ব্যক্তিকে কংগ্রেস সমর্থকেরা মারধর করে বাইরে বের করে দেন। ঘটনাটি নিয়ে বিজেপি দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। বিতর্কের মধ্যেই নতুন দাবি করেছেন সন্তোষ কুমার। অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করে তিনি ওই কথা বলেননি। বরং তাঁর বক্তব্যের একটি অংশ শুনে ভুল বোঝা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সন্তোষের কথায়, তিনি বলছিলেন, “বিদ্রোহ না হলে মোদি যাবেন না।” কিন্তু বাক্যের একটি অংশই শোনা যায়। সেখান থেকেই ভুল বোঝাবুঝির সূত্রপাত বলে তাঁর দাবি। তিনি নিজেকে কোনও হট্টগোল সৃষ্টিকারী ব্যক্তি বলেও মানতে চাননি। ওই সময় খাড়্গে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে বলছিলেন, “মোদি জেলে যাবেন।” চলতি মাসে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই একাধিক বড় প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়েছে। সেই বক্তব্যের মধ্যেই সন্তোষের কথার অংশ শোনা যায়। তাঁর দাবি, এই দুই বক্তব্যের সংঘাত থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ সিংহের ১৩৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বক্তব্য রাখছিলেন খাড়্গে। সেই সময় সভাকক্ষের মধ্যে থেকে “মোদি কোথাও যাবেন না” বলে আওয়াজ ওঠে।