ওঙ্কার ডেস্ক: এসআইআর ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ ও অশান্তি এড়াতে আগেই স্ট্র্যান্ড রোড সংলগ্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছিল। এবার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল মিলেনিয়াম পার্ক। শুক্রবার পার্ক বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি শিপিং জেটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তবে জেটি বন্ধ করে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন মানুষ। হাওড়া ও কলকাতার মধ্যে জলপথে যাঁরা যাতায়াত করেন তাঁরা চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ রাজ্যের সিইও দুফতরের সামনে জমায়েত হয়। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। কলকাতা পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম রয়েছে অভিযোগে। সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়া ও বেআইনি জমায়েতের অভিযোগে মূলত এফআইআর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ মার্চ তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভিন রাজ্যের লোকের নাম বেআইনি ভাবে ফর্ম ৬ এর মাধ্যমে তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে। তৃণমূলের কর্মীদের বিষয়টির উপর নজর রাখার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। তার পরেই ৩১ মার্চ শুভেন্দু অধিকারী সিইও দফতরে গেলে অশান্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। জোড়াফুল শিবির দাবি করে, পূর্ব মেদিনীপুরের এক বিজেপি নেতা ব্যাগে করে ৪০০ ফর্ম ৬ নিয়ে কমিশনের দফতরে ঢুকেছিলেন, যা হাতেনাতে ধরে ফেলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। ওই দিনই বিদায়ী শাসক ও বিরোধী দলের সংঘাতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।