ওঙ্কার ডেস্ক: রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার জন্য আগেই৮ নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচনের আগে সেই বকেয়া মহার্ঘভাতা মিটিয়ে দেওয়ার কাশুরু করল রাজ্য প্রশাসন। শুক্রবার থেকেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে মহার্ঘভাতার টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। তবে প্রাপ্য ডিএ নিয়ে অভিযোগও তুলতে শুরু করেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তাঁদের অভিযোগ, যে পরিমাণ ডিএ দেওয়ার কথা ছিল তা দেওয়া হচ্ছে না।
নবান্নের তরফে ডিএ দেওয়া শুরু হতে গোটা প্রক্রিয়ার পদ্ধতি এবং পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্ট ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে বিধি মানতে বলেছিল তা মানা হচ্ছে না। পোর্টাল খুলে রাজ্য সরকার সমস্ত কর্মচারীর বকেয়া ডিএ-য়ের পরিমাণ জেনে নিয়েছে। তা সত্ত্বেও মহার্ঘভাতার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছিল আগামী ৩১ মার্চ রাজ্য সরকারকে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ এর প্রথম কিস্তির টাকা দিয়ে দিতে হবে। পরের কিস্তির টাকা দিতে হবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে। কর্মীদের ডিএ দেওয়ার পদক্ষেপ হিসেবে সম্প্রতি একটি পোর্টাল চালু করে রাজ্যের অর্থ দফতর। বকেয়া ডিএ এর পরিমাণ সংক্রান্ত তথ্য সেই পোর্টালে আপলোড করতে শুরু করেন রাজ্য সরকারি কর্মচরীরা। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র হিসাব পোর্টালে আপলোড করা হয়। পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই এসওপি জারি করা হয়। তার পরেই কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে বকেয়া ডিএ-র টাকা পাঠানো শুরু করেছে নব্বান্ন।