ওঙ্কার ডেস্ক: তরুণ মণ্ডল। ২০০৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন। স্পেশাল ইউনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ায় বাদ গেল তাঁর নামও। শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় দফার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় তালিকা থেকে তরুণ মণ্ডলের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এসআইআর-এর খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে তরুণ মণ্ডলকেকে শুনানিতে ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন। সেখানে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমকে তরুণ মণ্ডল বলেন, পরে নথি দেওয়ার পর তাঁর নাম যুক্ত হয় বিচারাধীন তালিকায়। সেখানে থেকেই বাদ দেওয়া হল তাঁকে। নিজে একদা নির্বাচনে জয়লাভ করে সাংসদ হলেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় ক্ষুব্ধ তরুণ। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করেছেন। একটি স্মারকলিপি তাঁকে দিয়েছেন। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে , এ বার যা করার ট্রাইব্যুনাল করবে। বিষয়টি নিয়ে তরুণ মণ্ডল বর্তমান লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকেও চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন। তরুণ মণ্ডলের নাম বাদ যাওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে , প্রাক্তন সাংসদের নাম যদি বাদ যায় তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে কংগ্রেস-তৃণমূল এর সমর্থনে জয়নগরে জিতেছিলেন এসইউসি-র তরুণ মণ্ডল। পেশায় চিকিৎসক ওই প্রাক্তন সাংসদ দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা। সেই বিধানসভার ২৭৯ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। কিন্তু কমিশন তাঁর নাম ডিলিট করে দিয়েছে তালিকা থেকে।