ওঙ্কার ডেস্ক: ‘বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সময়ও আইন মানতে হবে’, তিলজলায় বেআইনি বহুতল ভাঙা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে শুক্রবার এমনটাই জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন বিচারপতি বাড়ি ভাঙার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। তবে ওই বহুতলের কোনও বাসিন্দাকে পুনর্বাসনের সুবিধা এখনই দেওয়া হচ্ছে না।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর বেঞ্চে তিলজলার বেআইনি বহুতল ভাঙা সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, কোনও নির্মাণই আইন না মেনে ভেঙে ফেলা যাবে না। আইন মেনে কাজ করতে হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার তপসিয়ার একটি বহুতলের চামড়ার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যার ফলে মৃত্যু হয়েছিল দুজনের। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও তিন জন। এই ঘটনার পরেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তিলজলার ওই বেআইনি ভাবে নির্মিত বহুতল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান যে বাড়িতে আগুন লেগেছে, সেটির কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। অবৈধ ভাবে সেখানে কারখানা চলছিল। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের নির্দেশের পর বুলডোজার দিয়ে ওই বাড়িটির একাংশ ভেঙে ফেলা হয়। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপের কড়া প্রতিবাদ জানান স্থানীয়রা। বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টেও । সেই মামলায় এদিন এই নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট । আগামী ২২ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
উল্লেখ্য, ক্ষমতায় এসেই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, বেআইনি নির্মাণ যেগুলি আছে সেগুলিকে চিহ্নিত করে বিদ্যুৎ এবং জলের লাইন কেটে দিতে হবে। আর এই কাজে পুরসভাকে সহযোগিতা করতে হবে। বিশেষ করে কলকাতার কসবা, তিলজলা, একবালপুর, মোমিনপুরের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।