ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের বিক্ষুদ্ধ ২০ সাংসদ রবিবার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-এ মিশে গিয়েছেন। যার পর থেকে অনামী এই দলটি চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানান, তাঁদের গোষ্ঠী এনসিপিআই-এ মিশে যাচ্ছে। তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধদের এই যোগদানের ফলে সংসদে পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বৃহত্তম দল হল এনসিপিআই।
সোমবার এই দলের তরফে ফেসবুকে জানানো হয়, (যদিও সেটি এনসিপিআই এর অফিসিয়াল পেজ কিনা তা যাচাই করেনি ওঙ্কার বাংলা) বর্তমানে সংসদের নিম্নকক্ষে বিজেপির সাংসদ রয়েছেন ১২ জন। তৃণমূলের সাংসদসংখ্যা ৮ এবং কংগ্রেসের এক। কিন্তু লোকসভায় এনসিপিআই-এর সাংসদ রয়েছে ২০ জন। রবিবার সন্ধ্যা থেকে এনসিপিআই নিয়ে চর্চা শুরু হলে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় দলটির প্রধান কার্যালয় রয়েছে হাওড়ার সাঁকরাইলের হাটগাছে গ্রামে। ত্রিপুরায় আত্মপ্রকাশ করা এই রাজনৈতিক দলের পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা শিউলি কুন্ডু সংবাদ মাধ্যমে খুব বেশি কিছু বলতে চাননি। তবে তৃণমূলের বিক্ষুদ্ধরা এই দলে নাম লেখানোয় তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন।
এনসিপিআই এর কার্যালয়ের গেটে শিউলির পাশাপাশি নাম রয়েছে উত্তীয় নামের এক ব্যক্তির। তিনি সম্পর্কে শিউলির স্বামী। উত্তীয় যোগ ব্যায়ামের প্রশিক্ষক এবং অঙ্কের শিক্ষক বলে উল্লেখ রয়েছে। শিউলির পরিচয় লেখা রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া দলটি ২০২৩ সালে রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজ়ড পলিটিক্যাল পার্টি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। ওই বছরেই ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনে দু’টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এনসিপিআই। কৈলাসহর আসনে ২৮৬টি এবং চউমানু আসনে ৫৩৬টি ভোট পেয়েছিলে দলটি।