ওঙ্কার ডেস্কঃ খসড়া তালিকা প্রকাশের পর বাংলায় এসআইআর ইস্যু নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে এসআইআরের শুনানি ও তথ্য যাচাই পর্ব। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। তার আগে বুধবার নজরুল মঞ্চে আয়োজিত হয়েছে মাইক্রো রোল অবজার্ভারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির। প্রশিক্ষণ চলাকালীন নজরুল মঞ্চে ছিলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।
রাজ্যজুড়ে কর্মরত প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এতে অংশ নেন। সুত্রের খবর, আজকের প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ,মালদহ, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, বাঁকুড়া, বীরভূম, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দক্ষিণ কলকাতা, উত্তর কলকাতা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানের দায়িত্বে থাকা মাইক্রো রোল অবজার্ভাররা। প্রথম পর্ব সকাল ১০.৩০ টা থেকে বেলা ১২.৩০টা পর্যন্ত হয় আর দ্বিতীয় পর্ব বেলা ২.৩০টে থেকে বিকেল ৪.৩০টে পর্যন্ত হয়।
মাইক্রো রোল অবজার্ভারদের মূল দায়িত্ব হবে শুনানি পর্বে বিভিন্ন অভিযোগ, তথ্য যাচাই এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখা। তাছাড়াও প্রশিক্ষণে শেখানো হয়েছে, শুনানির নিয়ম কী, কোন পরিস্থিতিতে কীভাবে নথি পরীক্ষা করতে হবে এবং কীভাবে নিরপেক্ষভাবে রিপোর্ট তৈরি করবেন।
মাইক্রো রোল অবজার্ভারদের কাজ কী হবে? সূত্রের খবর, হিয়ারিং প্রক্রিয়ায় থাকতে হবে মাইক্রো অবজারভারদের। নাম বাদ দেওয়ার ফর্ম, নাম তালিকা ভুক্ত করার ফর্ম, নাম সংশোধন করার ফর্মের নথি যাচাই করবেন।
মেট্রো রেল,দক্ষিণ পূর্ব রেল, জীবনবিমা নিগম, কোল ইন্ডিয়া, ডিভিসি, শুল্ক দফতর প্রভৃতি কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্মী থাকছেন অবজারভার হিসেবে। কমিশনের মতে, মাইক্রো অবজারভারদের কাজ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে চালানোই লক্ষ্য। তাই এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে এমন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের, যাঁরা কোনওভাবেই ভোটের দিন রাজ্য সরকারের অধীন থাকবেন না। ভোটের কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকবেন না এবং রাজ্য প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ বা চাপ তাঁদের উপর কার্যকর হবে না।
