ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙচুরের পর সে রাজ্যে পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েছে জোড়াফুল শিবিরের প্রতিনিধি দল। কুণাল, সায়নীদের সেই দল বাধার মুখে পড়ার পর বাংলা থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘সে রকম হলে আমিও যাব। দেখি কার কত দম!’
উল্লেখ্য, ধস বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গে গিয়ে সোমবার আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সেই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় খগেনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে ত্রিপুরার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা আগরতলায় তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায়। ভাঙচুর করা হয় জোড়াফুল শিবিরের দলীয় কার্যালয় সেই ঘটনার পর ত্রিপুরায় গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। এই দলে রয়েছেন দলের মুখপাত্র কুণাল, যাদবপুরের সাংসদ তথা তৃণমূলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ, জয়নগরের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল, মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা, সাংসদ সুস্মিতা দেব এবং ছাত্র নেতা সুদীপ রাহা।
কুণাল ঘোষরা অভিযোগ করেন, বুধবার ত্রিপুরা বিমানবন্দর থেকে দলীয় পার্টি অফিসে যাওয়ার জন্য চারটি গাড়ি থাকার কথা থাকলেও ছিল একটি মাত্র গাড়ি। বিমানবন্দরের বাইরে থাকা প্রিপেড ট্যাক্সি করে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন তাঁরা। কিন্তু অভিযোগ, তাতেও বাধা দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। যদিও পরে অবশ্য গাড়ির ব্যবস্থা হয় তৃণমূল প্রতিনিধিদলের জন্য। এদিন আগরতলায় বসে সাংবাদিকদের সায়নী ঘোষ বলেন, ‘যদি আমরা এতটাই নগন্য হই, যদি আমাদের থাকা না থাকাকে ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের কোনও সমস্যা না হয় তাহলে তৃণমূলের পার্টি অফিস কেন ভাঙা হল? যদি আমাদের কোনও রকমের গুরুত্বই ত্রিপুরার মাটিতে না থাকে তাহলে মাত্র ছয় জনের প্রতিনিধি দল, যার মধ্যে চার জন মহিলা, এক জন সিনিয়র কুণালদা, আর ছাত্র নেতা সুদীপ। এত কীসের ভয়, যে আমাদেরকে বিমানবন্দর চত্বরের বাইরে পা রাখতে দেওয়া হচ্ছে না তার আগে ড্রাইভারদেরকে হুমকি এবং ধুমকি ফোন দেওয়া হচ্ছে।’
